রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই শাসকদলের একাধিক নেতা-জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজি, ভোট-পরবর্তী হিংসা-সহ নানা অভিযোগে তদন্ত ও গ্রেফতারের ঘটনা সামনে এসেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও এক পরিচিত নাম। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বিধাননগর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজারহাটের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট ঘটনার তদন্তে তাঁর নাম উঠে আসছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করে পুলিশ। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সব্যসাচী দত্ত বা তাঁর আইনজীবীর তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এই গ্রেফতারি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন তৃণমূলের অন্দরে মতবিরোধ ও ক্ষোভ প্রকাশ্যে চলে আসছে। দলের একাংশ কালীঘাটের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন, আবার অন্যদিকে সাংগঠনিক স্তরেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই আবহে সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কখনও দুর্নীতির অভিযোগে, কখনও তোলাবাজি বা হিংসার মামলায় তদন্তকারীদের জালে ধরা পড়েছেন শাসকদলের নেতারা। বিরোধীদের দাবি, এটি দীর্ঘদিনের অনিয়মের ফল। অন্যদিকে তৃণমূলের বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নেতাদের নিশানা করা হচ্ছে।
এই আবহেই সব্যসাচী দত্তের গ্রেফতারি রাজ্যের রাজনৈতিক তরজাকে আরও উসকে দিল। এর আগে গত ৪ জুন বিধাননগরের পুরনিগমের কৃষ্ণা চক্রবর্তী পদত্যাগ করেছিলেন। তার আগে আবার বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক কাউন্সিলর বিভিন্ন কারণে গ্রেফতার হয়েছেন। এর আগে তোলাবাজির অভিযোগে বিধাননগরের ৬ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে。 তিনি তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এদিকে তোলাবাজির অভিযোগে বিধাননগর পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং বরো চেয়ারম্যান রঞ্জন পোদ্দারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে করুণাময়ী বাস স্ট্যান্ডে বাস চালকদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এদিকে জোর করে ভয় দেখিয়ে জমি দখল ও জমির মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বিধাননগর পুরনিগমের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর আজিজুল হোসেন মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। ভোটারদের ভয় দেখানো এবং উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে বিধাননগরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল দত্তকে গ্রেফতার করা হয়।
{{/usCountry}}এই আবহেই সব্যসাচী দত্তের গ্রেফতারি রাজ্যের রাজনৈতিক তরজাকে আরও উসকে দিল। এর আগে গত ৪ জুন বিধাননগরের পুরনিগমের কৃষ্ণা চক্রবর্তী পদত্যাগ করেছিলেন। তার আগে আবার বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক কাউন্সিলর বিভিন্ন কারণে গ্রেফতার হয়েছেন। এর আগে তোলাবাজির অভিযোগে বিধাননগরের ৬ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে。 তিনি তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এদিকে তোলাবাজির অভিযোগে বিধাননগর পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং বরো চেয়ারম্যান রঞ্জন পোদ্দারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে করুণাময়ী বাস স্ট্যান্ডে বাস চালকদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এদিকে জোর করে ভয় দেখিয়ে জমি দখল ও জমির মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বিধাননগর পুরনিগমের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর আজিজুল হোসেন মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। ভোটারদের ভয় দেখানো এবং উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে বিধাননগরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল দত্তকে গ্রেফতার করা হয়।
{{/usCountry}}