Sanatani Book Stall in Durga Puja Row: বই বিক্রি নিয়ে 'সনাতনীদের' চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন বিকাশ, পালটা ‘কাকা’ বলে খোঁচা সজলের
Sanatani Book Stall in Durga Puja Row: সনাতনী ইস্যুতে সংঘাতে জড়ালেন সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। দুর্গাপুজোর বইয়ের স্টল নিয়ে দু'জনে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। কী বললেন?
Sanatani Book Stall in Durga Puja Row: 'সনাতনীদের' চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। পালটা আক্রমণ শানালেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ এবং বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। শনিবার সিপিআইএম নেতা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন যে দুর্গাপুজো মণ্ডপের ভিতরে 'সনাতনীরা' এবং বাইরে ‘অসনাতনীরা’ বুকস্টল দিক। আর তাতে কার বেশি বই বিক্রি হবে, তা নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন বিকাশ। পালটা বরানগরের বিধায়ক দাবি করেন, এভাবেই সনাতনীদের অপমান লাগাতার করে আসছেন সিপিআইএম নেতারা। আর সেটার জন্যই নির্বাচনের ময়দানে ধাক্কা খেতে হয় লাল ব্রিগেডকে। সনাতনীদের আক্রমণের কারণেই ভোটে ভরাডুবি হয় বলে দাবি করেছেন সজল।

‘যখন জোর গলায় বলবেন, সনাতনীরা গ্রহণযোগ্য না বর্জনীয়’, নিশানা বিকাশের
আর সেই সংঘাতের সূত্রপাত বিকাশের একটি পোস্ট ঘিরে। সিপিআইএম নেতা বলেন, ‘শুভেন্দু সনাতনীরা চিল-চিৎকার করে বলছে, পুজো মণ্ডপের আশেপাশে অসনাতনীদের বুক স্টল করতে দেবে না। এটা গুন্ডাদের ভাষা। আমার প্রস্তাব, সনাতনীরা পুজো মণ্ডপের ভিতরে সনাতনী বই স্টল করুন। অসনাতনীরা মণ্ডপের বাইরে বই স্টল করবে। পুজো শেষে হিসেব করুন বিক্রি বেশি কার হল। তখন জোর গলায় বলবেন, সনাতনীরা গ্রহণযোগ্য না বর্জনীয়। এই প্রস্তাবে রাজি হতে আপত্তি আছে?’
‘গণশক্তির স্টলে একটাও ক্রেতা দেখিনি’, খোঁচা সজলের
তার পালটা বরানগরের বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘ছোটোবেলা থেকে গণশক্তি স্টল দেখেছি, একটাও ক্রেতা দেখিনি l না হওয়াটা স্বাভাবিক, ঠাকুর দেখতে আসেন সনাতনীরা, সেখানে যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না, তাদের মতাদর্শের বই কিনবে কেন? আর কিছু মনে করবেন না কাকা, সনাতনকে এইভাবে ক্রমাগত অসম্মান করার ফলে রাজনৈতিক অবস্থা আপনাদের তো দেখতেই পাচ্ছেন। সঙ্গে একবার নিজেদের সমাজমাধ্যমে অবস্থাটা দেখুন। তিন ঘণ্টায় ২০০ l’
বিকাশরঞ্জনকে নিশানা বিজেপি নেত্রীর
একইসুরে বিজেপি নেত্রী বলেন, ‘আপনাদের ভোটে হারিয়েছি, বই বিক্রি তো কোন ছার। তবে হ্যাঁ দুর্গাপুজো না লিখলে কোনও স্টলই হবে না। বাই দ্য ওয়ে, মা দুর্গা সম্পর্কে আপনার কুৎসিত মন্তব্য কিন্তু ভুলিনি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


