Show-cause Notice In BJP: দলের নিয়ম ভাঙার অভিযোগে এবার শাস্তির মুখে বিজেপিরই (BJP) জেলা সভাপতি। ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি সোমা ঘোষকে শোকজ করল রাজ্য নেতৃত্ব। কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

সূত্রের খবর, সংবিধান বিরোধী কার্যকলাপ করার জন্য সোমা ঘোষকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগ, দলীয় নেতৃত্বকে উপেক্ষা করেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা না করেই চার দলীয় নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সোমা ঘোষ। সেই সিদ্ধান্তকেই দলের সংবিধান-বিরোধী বলে মনে করছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে অবমাননাকর আচরণ করার জন্যই তাঁকে শোকজ করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, সোমা ঘোষের কাছে আগামী সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রধান প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে চিঠি দিয়ে শোকজের বিষয়টি জানিয়েছেন।
কী কারণে ওই চার নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ, রাজ্য নেতৃত্বকে এড়িয়ে নিজের মতো করে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেলা সভাপতি। বিজেপির দলীয় সংবিধান অনুযায়ী, এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া দরকার বলে দলের তরফে জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, যে চার বিজেপি নেতাকে দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই বহিষ্কার করেছেন সোমা ঘোষ, তারা হলেন- রামনগর ২২৭ নম্বর বুথ সভাপতি বিজয় দাস, রামনগর ২২৪ নম্বর বুথ সভাপতি সঞ্জিত শাসমল, ভাদুরা অঞ্চলের বিজেপি নেতা অশোক কর্মকার এবং রামনগর ২৩৭ নম্বর বুথের সভাপতি অমিত সর্দার। রাজ্য নেতৃত্বের অভিযোগ, ফলতা বিধানসভার এই চার নেতাকে দল থেকে বাদ দেওয়ার আগে শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে জেলা সভাপতির সিদ্ধান্তের সাংগঠনিক বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
এখন নজর সোমা ঘোষের জবাবের দিকে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাঁর ব্যাখ্যা খতিয়ে দেখবে দল। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, জবাব সন্তোষজনক না হলে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী সাংগঠনিক পদক্ষেপ করা হতে পারে। চার নেতাকে বহিষ্কারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার উল্টে দলের জেলা সভাপতির শোকজ পর্যন্ত গড়াল। ফলে ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির অন্দরের এই টানাপড়েন আগামী দিনে আরও কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
{{/usCountry}}এখন নজর সোমা ঘোষের জবাবের দিকে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাঁর ব্যাখ্যা খতিয়ে দেখবে দল। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, জবাব সন্তোষজনক না হলে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী সাংগঠনিক পদক্ষেপ করা হতে পারে। চার নেতাকে বহিষ্কারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার উল্টে দলের জেলা সভাপতির শোকজ পর্যন্ত গড়াল। ফলে ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির অন্দরের এই টানাপড়েন আগামী দিনে আরও কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
{{/usCountry}}