...
...
Next Story

BJP MLA's Letter:বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো, হকারদের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিজেপি বিধায়কের

স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযানের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন কৌস্তভ বাগচি। তিনি রেলমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন, কোনও উচ্ছেদ অভিযান চালানোর আগে হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হোক।

Published on: Jun 7, 2026, 08:58:22 IST
Advertisement

প্রায় ১৬ বছর আগে ঘোষিত হলেও এখনও বাস্তবের মুখ দেখেনি বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্প। দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত জটিলতা ও প্রশাসনিক সমস্যার কারণে আটকে রয়েছে বহু প্রতীক্ষিত এই প্রকল্প। এবার সেই প্রকল্পের দ্রুত অগ্রগতি এবং ব্যারাকপুর স্টেশনের সামগ্রিক উন্নয়নের দাবি তুলে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে চিঠি দিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি।

স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযানের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন কৌস্তভ বাগচি। (PTI)
স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযানের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন কৌস্তভ বাগচি। (PTI)

শুক্রবার নবান্নে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী এবং বিধায়কেরা। সেই বৈঠকেই বরানগর-ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করেন কৌস্তভ বাগচি। পাশাপাশি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও তিনি আলোচনা করেন বলে জানা গিয়েছে।

চিঠিতে কৌস্তভ বাগচি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যারাকপুরের মানুষ মেট্রো পরিষেবার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাই প্রকল্পের জমি সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য রেলমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, মেট্রো পরিষেবা চালু হলে উত্তর শহরতলির লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াত অনেক বেশি সহজ ও দ্রুত হবে।

শুধু মেট্রো প্রকল্প নয়, ব্যারাকপুর রেলস্টেশনের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়েও একাধিক দাবি জানিয়েছেন বিধায়ক। তিনি রেলমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক যাত্রী এই স্টেশন ব্যবহার করলেও বহু গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার ট্রেন সেখানে থামে না। তাই মা তারা এক্সপ্রেস, ভাগীরথী এক্সপ্রেস, তিস্তা-তোর্সা এক্সপ্রেস, কাটিহার এক্সপ্রেস, শিয়ালদহ-বলিয়া এক্সপ্রেস, পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেস, গৌড়বঙ্গ এক্সপ্রেস, কলকাতা-গুয়াহাটি গরিব রথ এবং গঙ্গাসাগর এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রেল চলাচল ও যানজট সমস্যার প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে। ১৪ নম্বর রেলগেটে উড়ালপুল বা আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে, যাতে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধান হয়। পাশাপাশি ১ এবং ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সংযোগকারী ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ এবং দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ চালুর জন্য প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

তবে চিঠির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হিসেবে উঠে এসেছে হকারদের প্রসঙ্গ। স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযানের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন কৌস্তভ বাগচি। তিনি রেলমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন, কোনও উচ্ছেদ অভিযান চালানোর আগে হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হোক। জীবিকা হারানোর আশঙ্কায় থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

বিধায়কের দাবি, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই সমস্ত প্রস্তাব রেলমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি এই প্রকল্পগুলির বিষয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বলে জানিয়েছেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe