বাংলাদেশকে এবার ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুললেন বিজেপির বিধায়ক অসীম সরকার। উল্লেখ্য, আজ জয়ন্তীপুর বাজারে প্রতিবাদ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সনাতনী ঐক্য মঞ্চ। সেই প্রতিবাদ কর্মসূচিতেই অংশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন অসীম সরকার। সেই বিক্ষোভে ছিলেন বিজেপির অপর এক বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। এর আগে সাম্প্রতিককালে ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশের নেতারা। এই পরিস্থিতিতে ত্রিপুরা এবং উত্তরপূর্বের অন্যত্র বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। কয়েকদিন ধরে কলকাতাতেও বাংলাদেশে ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে প্রতিবাদ দেখানো হয়েছিল। এর মাঝে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও একদিন আগে বাংলাদেশের উত্তরে জমি নিয়ে চিকেন নেক এলাকাকে বড় করার কথা বলেছিলেন। এই সবের মাঝে এবার বাংলার বিজেপির বিধায়ক বাংলাদেশকে ভারতের সঙ্গে জুড়ে নেওয়ার কথা বলেন।

অসীম সরকার বলেন, 'যেভাবে পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছে সেভাবে বাংলাদেশেও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করুক ভারত সরকার। দরকারে বাংলাদেশকে ভারতের সঙ্গে নিয়ে সেখানকার উগ্রপন্থীদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিক। কুজোরও কিন্তু চিৎ হয়ে শোওয়ার ইচ্ছা হয়। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের এখনই উচিৎ আর বারাবারি করতে না দেওয়া। এখনই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা দরকার।'
এর আগে নিউজ১৮-এর 'রাইজিং অসম কনক্লেভ'-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়ি করিডোরকে ভারতের সবচেয়ে বড় কৌশলগত উদ্বেগ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। একে 'চিকেন নেক' নামেও ডাকা হয়। এই সংকীর্ণ করিডোরটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দেশের বাকি অংশের সাথে সংযুক্ত করে এবং এর উভয় পাশে বাংলাদেশ এবং নেপাল অবস্থিত। এই নিয়ে হিমন্ত বলেন, 'এই অঞ্চলকে সুরক্ষিত করার জন্য ভারতকে একদিন ২০-২২ কিলোমিটার জমি নিতে হতে পারে - তা কূটনৈতিক বা জোরজবরদস্তির মাধ্যমেই হোক।'
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা 'চিকেন নেক'কে একটি 'অসম্পূর্ণ এজেন্ডা' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, সময় ও পদ্ধতি কেন্দ্রীয় সরকার স্থির করবে... তবে এই ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরার প্রয়োজন রয়েছে।' বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে টার্গেট করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মহম্মদ ইউনুসের সরকার বেশিদিন টিকবে না। বর্তমান সরকার ভারত, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।'
এরপর ১৯৭১ সালের যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সিদ্ধান্তগুলি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেন, সেই সময় ভারত 'চিকেন নেক' সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য জমি চাইতে পারত বাংলাদেশের কাছে। এটি না হওয়ার কারণে এই করিডরের সাথে যুক্ত বিপদ আজও রয়ে গেছে। বর্তমান সমস্যার জন্য দেশভাগের সময় কংগ্রেসের নীতিকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণভোট হলে বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতকে বেছে নিত। ভুল সিদ্ধান্তের কারণে অনেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) অবস্থান করতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন শর্মা।
{{/usCountry}}এরপর ১৯৭১ সালের যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সিদ্ধান্তগুলি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেন, সেই সময় ভারত 'চিকেন নেক' সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য জমি চাইতে পারত বাংলাদেশের কাছে। এটি না হওয়ার কারণে এই করিডরের সাথে যুক্ত বিপদ আজও রয়ে গেছে। বর্তমান সমস্যার জন্য দেশভাগের সময় কংগ্রেসের নীতিকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণভোট হলে বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতকে বেছে নিত। ভুল সিদ্ধান্তের কারণে অনেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) অবস্থান করতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন শর্মা।
{{/usCountry}}