পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ৩১টি জয়ের ব্যবধান এসআইআরে বাদ পড়া ভোটারদের থেকে কম। এই আবহে এহেন আসনগুলি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল কংগ্রেস। ১১ মে শীর্ষ আদালতে এসআইআর মামলার শুনানি হয়। সেই সময় এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন তৃণমূলের আইনদীবী। আর এই নিয়ে এবার কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ তথা প্রাক্ত রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ। তিনি বলেন, 'এই ৩১টি আসন যদি তৃণমূলকে দিয়েও দেওয়া হয়, তাহলে কি তৃণমূল জিতে যাবে?' এদিকে তৃণমূলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ আদালতের বক্তব্য, এসআইআর-এর কারণে নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে, এমন বিষয় জানাতে হলে অতিরিক্ত আবেদন করে মামলা করতে হবে।

রাহুল সিংহ বলেন, 'তৃণমূল আমাদের থেকে এতটা পিছিয়ে, তাও ওদের কোনও লজ্জা নেই। ২০২১ সালের ফলাফল দেখা হোক তাহলে। ২০২১ সালে ৩১-এর থেকে বেশি আসনে ব্যবধান (২০২৬ সালের এসআইআরে বাদ পড়া ভোটারের থেকে জয়ের ব্যবধান কম ছিল) কম ছিল। এগুলো নিয়ে আমরা দৌড়দৌড়ি করিনি। তবে ওরা আদালতে যেতেই পারে। ওরা আদালতে যাক, তবে ফলাফল এটাই হবে।'
উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ৩১টি আসন নিয়ে আদালতে সওয়াল করার সময় বলেন, 'আমার এক প্রার্থী ৮৬২ ভোটে হেরেছেন এবং আশ্চর্যজনক ভাবে, ওই কেন্দ্র থেকে এসআইআর চলাকালীন ৫,৫৫০ ভোট বাদ দেওয়া হয়েছিল। এমন ৩১টি আসন রয়েছে, যেখানে জয়ের ব্যবধান বাদ পড়া ভোটের সংখ্যার চেয়ে কম।' কল্যাণের এই মামলার বিরোধিতা করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, এই অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হলে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করা উচিত।
প্রসঙ্গত, এসআইআর প্রক্রিয়ায় ২৭ লক্ষের বেশি নাম বিবেচনাধীন তালিকায় বাদ গিয়েছে। ওই নাম বাদ রেখেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। এই আবহে তৃণমূলের দাবি, অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। উল্লেখ্য, এসআইআর-এর বিচারাধীন তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারেরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হচ্ছে। ট্রাইবুনাল নথি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, এসআইআর প্রক্রিয়ায় ২৭ লক্ষের বেশি নাম বিবেচনাধীন তালিকায় বাদ গিয়েছে। ওই নাম বাদ রেখেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। এই আবহে তৃণমূলের দাবি, অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। উল্লেখ্য, এসআইআর-এর বিচারাধীন তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারেরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হচ্ছে। ট্রাইবুনাল নথি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
{{/usCountry}}