...
...
Next Story

Shamik on Kamarhati Chairman Change: কামারহাটি পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান লকেটের দাদা, কড়া বার্তা 'নাখুশ' শমীকের

শমীক জানান, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পরিবর্তনের বিষয়ে দলকে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর কথায়, দলের অনুমতি ছাড়া কেউ যদি নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাহলে তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

Published on: Jul 7, 2026, 10:53:25 IST
Advertisement

Kamarhati municipality: কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কয়েকদিন আগে চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন গোপাল সাহা। এরপর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নির্দল কাউন্সিলর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়। তিনি সম্পর্কে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের দাদা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিজেপির অন্দরেই মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে।

কামারহাটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নির্দল কাউন্সিলর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়।
কামারহাটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নির্দল কাউন্সিলর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পরিবর্তনের বিষয়ে দলকে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর কথায়, দলের অনুমতি ছাড়া কেউ যদি নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাহলে তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'আমি শুনলাম কামারহাটি পুরসভায় নাকি পরিবর্তন হয়েছে। আমার কাছে কোনও খবর আসেনি। কেউ চেয়ারম্যান হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বিজেপি এসব মেনে নেবে না। কেউ যদি ভাবেন বিজেপি একটি সেবাশ্রম বা হরিনাম সভা, যেখানে ইচ্ছে হলেই কেউ চেয়ারম্যান হয়ে যাবেন, তাহলে ভুল ভাবছেন। প্রয়োজন হলে দলের কর্মীরা গিয়ে সেই চেয়ার গঙ্গাজল দিয়ে পরিষ্কার করবে, কিন্তু কাউকে সেখানে বসতে দেবে না।'

রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্যের পরই পাল্টা জবাব দেন নতুন চেয়ারম্যান সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শমীক ভট্টাচার্যকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এটি কোনও বিজেপি পরিচালিত বোর্ড নয়। সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'আমার মনে হয় শমীকবাবুকে ভুল বোঝানো হয়েছে। এটা বিজেপির বোর্ড নয়। আমি নির্দল কাউন্সিলর হিসেবেই চেয়ারম্যান হয়েছি। বিজেপির তরফে যদি কেউ যোগাযোগ করেন, আমি সব তথ্য জানাব। প্রয়োজন হলে তাঁদের সঙ্গে দেখা করব।'

এই বিতর্কে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় তাঁর দাদা হলেও এই পুরো বিষয়টির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। লকেট বলেন, 'তিনি সম্পর্কে আমার দাদা হতে পারেন। কিন্তু তিনি একজন নির্দল কাউন্সিলর। ওখানে কীভাবে বোর্ড গঠন হয়েছে, সেটা তাঁরাই জানেন। এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। শুধু এটুকুই বলব, যা নিয়ম আছে, সেই নিয়ম মেনেই সব হওয়া উচিত।' অন্যদিকে বিজেপির উত্তর কলকাতা শহরতলি জেলার সভাপতি চণ্ডীচরণ রায়ও এই বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'কামারহাটি পুরসভায় বিজেপির কোনও প্রতিনিধি নেই। সেখানে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের নিয়েই বোর্ড গঠিত হয়েছে। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা সেটাই মেনে চলব।'

উল্লেখ্য, কামারহাটি পুরসভার মোট ৩৫টি আসনের মধ্যে ২০২২ সালের পুরভোটে তৃণমূল কংগ্রেস ৩২টি আসনে জয়ী হয়েছিল। তিনটি আসনে জয়ী হয়েছিলেন নির্দল প্রার্থীরা। চেয়ারম্যান গোপাল সাহার পদত্যাগের পর নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচনকে ঘিরে যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে, তা এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে নতুন চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের পারিবারিক সম্পর্ক সামনে আসার পর বিষয়টি আরও বেশি চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe