Samik Bhattacharya Slams Communist: কার্গিল দিবসের দিন কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর ঠিক সেই সময়ই কলকাতায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার থেকে কলকাতায় দাঁড়িয়ে ‘আজাদি’ স্লোগান বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান দিলে ছেড়ে কথা বলা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।

কার্গিল দিবস উপলক্ষ্যে আজ, রবিবার সকালে কলকাতার বিটি রোড এলাকায় শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কার্গিল যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা, ভারতীয় জওয়ান কণাদ ভট্টাচার্য। সেখানেই তিনি দেশভাগ প্রসঙ্গ থেকে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বক্তব্য রাখেন শমীক ভট্টাচার্য। কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান ভারতকে বরাবর সমস্যায় ফেলার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ, ইতিহাস তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এদিন তিনি বলেন, 'দেশ বিরোধী শক্তি নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে। আর এখানকার কমিউনিস্টরা দেশটাকে টুকরো করেছিল। ২৮টা টুকরোতে ভাঙতে চেয়েছিল। ওরাই পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকেছিল। আমরা পুলিশকে বলছি আইন আইনের পথে চলবে।' পুলিশকে তাঁর পরামর্শ, ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে-এ সব কথা কিন্তু রাস্তায় বললে পুলিশ খুব মারবে। পুলিশকে বলব, এ সব কথা যারা বলবে, তারা যেন সরাসরি সোজা হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে না-পারে। কলকাতায় বললে যাতে পিজি, এনআরএসের ইমার্জেন্সি ঘুরে বাড়ি যেতে হয়, (তা নিশ্চিত করুন)।’
সম্প্রতি নিট বিতর্কে আন্দোলনে নামে ছাত্ররা। দিল্লির যন্তর মন্তরের সামনে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলে আন্দোলন। কলকাতাতেও শুক্রবার ছাত্ররা মিছিল করেছিল। ধর্মতলায় সেই মিছিল থেকে হিংসা ছড়ায়! সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনাও ঘটেছিল! কলকাতায় দাঁড়িয়ে আজাদির স্লোগানও দেওয়া হয়েছে! শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে র্যাডিকালাইজেশন (চরমপন্থা) মাথাচাড়া দিয়েছে। কিছু মানুষ আক্রমণ করছেন পুলিশকে। ভারত তেরি টুকরে হোঙ্গে বলতে পারছে না, কিন্তু আজাদি আজাদি বলছে। ৩৭০ ধারার বাতিলের বিরোধিতা করছে।’ তাঁর হুঁশিয়ারি, পশ্চিমবঙ্গে এ সব এখন চলবে না। কারণ, এ রাজ্যে এখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শে বিশ্বাসী সরকার রয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী- অখণ্ডতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। সেই অখণ্ডতায় যাঁরা আঘাত হানতে চায়, এ হেন ‘দেশ-বিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে, পাকিস্তান পন্থীদের বিরুদ্ধে’ লড়াইকে জোরদার করার ডাক দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।
{{/usCountry}}সম্প্রতি নিট বিতর্কে আন্দোলনে নামে ছাত্ররা। দিল্লির যন্তর মন্তরের সামনে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলে আন্দোলন। কলকাতাতেও শুক্রবার ছাত্ররা মিছিল করেছিল। ধর্মতলায় সেই মিছিল থেকে হিংসা ছড়ায়! সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনাও ঘটেছিল! কলকাতায় দাঁড়িয়ে আজাদির স্লোগানও দেওয়া হয়েছে! শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে র্যাডিকালাইজেশন (চরমপন্থা) মাথাচাড়া দিয়েছে। কিছু মানুষ আক্রমণ করছেন পুলিশকে। ভারত তেরি টুকরে হোঙ্গে বলতে পারছে না, কিন্তু আজাদি আজাদি বলছে। ৩৭০ ধারার বাতিলের বিরোধিতা করছে।’ তাঁর হুঁশিয়ারি, পশ্চিমবঙ্গে এ সব এখন চলবে না। কারণ, এ রাজ্যে এখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শে বিশ্বাসী সরকার রয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী- অখণ্ডতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। সেই অখণ্ডতায় যাঁরা আঘাত হানতে চায়, এ হেন ‘দেশ-বিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে, পাকিস্তান পন্থীদের বিরুদ্ধে’ লড়াইকে জোরদার করার ডাক দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।
{{/usCountry}}তিনি জানিয়েছেন, গত শুক্রবারের মিছিলে পুলিশ, সাংবাদিকেরা যে ভাবে আক্রান্ত হয়েছেন, সে সব আর চলবে না। তাঁর মুখে উঠে এসেছে মুর্শিদাবাদের প্রসঙ্গও। শমীক বলেন, ‘(কলকাতার কর্মসূচিতে) পুলিশ আক্রান্ত, সাংবাদিক আক্রান্ত। নিরপরাধ মানুষ, পথচারী আক্রান্ত। ঠিক যে ভাবে মুর্শিদাবাদে মাটির দেবী প্রতিমা তৈরির জন্য হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসকে খুন করা হয়েছিল।’ এর পর বিজেপি নেতা যোগ করেন, আগ্রাসনের স্বপ্নকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। তাঁর নিদান, ‘যে যা খুশি করছে করুক, দেশকে টুকরো করতে চাইলে আইনের বাইরে যেতে হয়।’
কী বলছেন কুণাল ঘোষ?
অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ মনে করেন, শমীক ভট্টাচার্য এ ধরনের নিদান দিতে পারেন না। দেশবিরোধী কথা বললে আইন মেনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর নিদান ‘নৈরাজ্য।’ কুণাল ঘোষ মনে করেন, ‘দায়িত্বশীল নেতা’ হিসাবে শমীকের এ ধরনের কথা বলা ঠিক নয়। তাঁর কথায়, ‘যাঁরা দেশবিরোধী কথা বলবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনে কড়া ব্যবস্থা হোক। তার জন্য হাসপাতালে পাঠানো অ্যানার্কি। খারাপ স্লোগান, মারার বিধান দিতে পারি না। পুলিশ আছে কী করতে? কোর্টে যাবে।’ তিনি এ-ও বলেন, ‘ভারতে থাকব, খাব, ভারতের বিরুদ্ধে স্লোগান দেব, হতে পারে না! কিন্তু তাই বলে তাঁকে ধরে মারুন, হাসপাতালে পাঠান, এটাও হতে পারে না। এটা গণতান্ত্রিক দেশ।’