...
...
Next Story

Samik Bhattacharya on Azadi Slogan: 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি বলা লোক যেন সোজা হয়ে বাড়িতে ফিরতে না পারে', হুংকার শমীকের

Samik Bhattacharya Slams Communist: কার্গিল দিবস উপলক্ষ্যে আজ, রবিবার সকালে কলকাতার বিটি রোড এলাকায় শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কার্গিল যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা, ভারতীয় জওয়ান কণাদ ভট্টাচার্য।

Published on: Jul 26, 2026, 17:00:22 IST
Advertisement

Samik Bhattacharya Slams Communist: কার্গিল দিবসের দিন কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর ঠিক সেই সময়ই কলকাতায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার থেকে কলকাতায় দাঁড়িয়ে ‘আজাদি’ স্লোগান বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান দিলে ছেড়ে কথা বলা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।

কার্গিল দিবসে হুঁশিয়ারি বিজেপি রাজ্য সভাপতির (PTI)
কার্গিল দিবসে হুঁশিয়ারি বিজেপি রাজ্য সভাপতির (PTI)

কার্গিল দিবস উপলক্ষ্যে আজ, রবিবার সকালে কলকাতার বিটি রোড এলাকায় শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কার্গিল যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা, ভারতীয় জওয়ান কণাদ ভট্টাচার্য। সেখানেই তিনি দেশভাগ প্রসঙ্গ থেকে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বক্তব্য রাখেন শমীক ভট্টাচার্য। কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান ভারতকে বরাবর সমস্যায় ফেলার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ, ইতিহাস তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এদিন তিনি বলেন, 'দেশ বিরোধী শক্তি নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে। আর এখানকার কমিউনিস্টরা দেশটাকে টুকরো করেছিল। ২৮টা টুকরোতে ভাঙতে চেয়েছিল। ওরাই পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকেছিল। আমরা পুলিশকে বলছি আইন আইনের পথে চলবে।' পুলিশকে তাঁর পরামর্শ, ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে-এ সব কথা কিন্তু রাস্তায় বললে পুলিশ খুব মারবে। পুলিশকে বলব, এ সব কথা যারা বলবে, তারা যেন সরাসরি সোজা হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে না-পারে। কলকাতায় বললে যাতে পিজি, এনআরএসের ইমার্জেন্সি ঘুরে বাড়ি যেতে হয়, (তা নিশ্চিত করুন)।’

তিনি জানিয়েছেন, গত শুক্রবারের মিছিলে পুলিশ, সাংবাদিকেরা যে ভাবে আক্রান্ত হয়েছেন, সে সব আর চলবে না। তাঁর মুখে উঠে এসেছে মুর্শিদাবাদের প্রসঙ্গও। শমীক বলেন, ‘(কলকাতার কর্মসূচিতে) পুলিশ আক্রান্ত, সাংবাদিক আক্রান্ত। নিরপরাধ মানুষ, পথচারী আক্রান্ত। ঠিক যে ভাবে মুর্শিদাবাদে মাটির দেবী প্রতিমা তৈরির জন্য হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসকে খুন করা হয়েছিল।’ এর পর বিজেপি নেতা যোগ করেন, আগ্রাসনের স্বপ্নকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। তাঁর নিদান, ‘যে যা খুশি করছে করুক, দেশকে টুকরো করতে চাইলে আইনের বাইরে যেতে হয়।’

কী বলছেন কুণাল ঘোষ?

অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ মনে করেন, শমীক ভট্টাচার্য এ ধরনের নিদান দিতে পারেন না। দেশবিরোধী কথা বললে আইন মেনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর নিদান ‘নৈরাজ্য।’ কুণাল ঘোষ মনে করেন, ‘দায়িত্বশীল নেতা’ হিসাবে শমীকের এ ধরনের কথা বলা ঠিক নয়। তাঁর কথায়, ‘যাঁরা দেশবিরোধী কথা বলবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনে কড়া ব্যবস্থা হোক। তার জন্য হাসপাতালে পাঠানো অ্যানার্কি। খারাপ স্লোগান, মারার বিধান দিতে পারি না। পুলিশ আছে কী করতে? কোর্টে যাবে।’ তিনি এ-ও বলেন, ‘ভারতে থাকব, খাব, ভারতের বিরুদ্ধে স্লোগান দেব, হতে পারে না! কিন্তু তাই বলে তাঁকে ধরে মারুন, হাসপাতালে পাঠান, এটাও হতে পারে না। এটা গণতান্ত্রিক দেশ।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe