BJP-TMC Clash: ভোটের মুখে উত্তেজনা ছড়াল কলকাতার একবালপুরে। বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিংয়ের এক সভআ ঘিরে সংঘর্ষে জড়ায় তৃণমূল এবং গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। এরপর একবালপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় দুই দলেরই কর্মী-সমর্থকরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। জানা যায়, সোমবার বিকেলে হোসেন শাহ রোডে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় নাকি বিজেপির সভাস্থলের কাছে তৃণমূল কর্মীরা স্লোগান দিকে থাকেন। এই আবহে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়।

এরপরই দুই দলের কর্মীরা পৌঁছে যায় একবালপুর থানার সামনে। মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মীরা একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপরই পুলিশ সেই জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করত লাঠি চালায়। পরে এলাকায় টহলদারি চালায় পুলিশ। এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই হামলায় বিজেপির এক মহিলা কর্মী গুরুতর আহত হন বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে অনুষ্ঠানের জায়গায় যখন তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ হয়, তখন রাকেশ সিং সেখানে ছিলেন না। পরে তিনি সেখানে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় পুলিশি নিস্ক্রয়তার অভিযোগ তোলেন বিজেপি প্রার্থী। এরপর রাকেশের নেতৃত্বে একবালপুর থানার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। এরপর অপরদিক থেকে তৃণমূল কর্মীরাও থানার সামনে জড়ো হন। সেই সময় ফের হাতাহাতিতে জড়ায় দুই দলের কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময় রাকেশ সিংয়ের মেয়েও আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। এমনকী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন রাকেশ সিংও।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিং বলেন, 'অনুমতি নিয়েই হাসন শাহ রোডে আমার একটা সভা হচ্ছিল। ওখানেই চার-পাঁচজন ব্যক্তি ঝামেলা করে। খবর পেয়েই আমি পুলিশকে জানাই। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। বরং পুলিশের উপস্থিতিতেই আমাদের মা-বোন ও বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। সব সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে। পরে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওদের ছাড়ানোর জন্য তৃণমূলের লোকেরা এসে ঝামেলা করছে।'
{{/usCountry}}এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিং বলেন, 'অনুমতি নিয়েই হাসন শাহ রোডে আমার একটা সভা হচ্ছিল। ওখানেই চার-পাঁচজন ব্যক্তি ঝামেলা করে। খবর পেয়েই আমি পুলিশকে জানাই। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। বরং পুলিশের উপস্থিতিতেই আমাদের মা-বোন ও বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। সব সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে। পরে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওদের ছাড়ানোর জন্য তৃণমূলের লোকেরা এসে ঝামেলা করছে।'
{{/usCountry}}