BJP Worker Stabbed: বরানগরে রাজনৈতিক হিংসা বন্ধ করতে এলাকায় গিয়ে নিজে মাইকিং করেছেন জয়ী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তৃণমূলের কোনও পার্টি অফিস কিংবা কোনও ক্লাব যাতে দখল না করা হয়, তার জন্যেও বিজেপি কর্মীদের হুঁশিয়ার করে দেন সজল। তবে সেই বরানগরেই এবার এক বিজেপি বুথ সভাপতিকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আক্রান্তের নাম সোমনাথ ধর। এই ঘটনার খবর পেয়ে বরানগরে যান সজল ঘোষ। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর সঙ্গে তিনি দেখা করেন। জখম বিজেপি কর্মী আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গিয়েছ। এদিকে এই হামলায় হাতে চোট পান আক্রান্তের দিদিও। তাঁর হাতে সেলাই পড়েছে।

উল্লেখ্য, গতকালই শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ককে গুলি করে খুন করা হয়। সেখানে যান সজল ঘোষ। সেই খুনের ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে দিতে তিনি জানান, বরানগরে এক বিজেপি কর্মীকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে রাজ্যের কেউ সুরক্ষিত নয়। এদিকে শুভেন্দু অধিকারী জানান, বরানগরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলার বিষয়ে তিনি অবগত। সেই হামলার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। এদিকে এই ঘটনায় তৃণমূলের দিকে আঙুল উঠলেও ঘাসফুল শবির সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
জানা গিয়েছে, বরানগরে একটি বাড়ি দখল হয়ে যাচ্ছিল। তারই প্রতিবাদ করেছিলেন সোমনাথ। আর সেই আক্রোশ থেকেই সোমনাথ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমনাথ বরানগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নৈনান পাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ, শুভঙ্কর, রঞ্জিত ধর নামে দুই ব্যক্তি তৃণমূলের প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে হুমকি দিচ্ছিলেন সোমনাথকে। সেখানে প্রোমোটিং করতে চেয়েছিলেন অভিযুক্তরা।
এর আগে ভোটের পরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বরানগর। পুরপ্রধান অপর্ণা মৌলিকের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পরে এলাকায় গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় দেন সজল ঘোষ। তিনি বলেছিলেন, 'পার্টি অফিস ধর্মীয় স্থানের মতো।' এই আবহে তিনি নিজে সেই তৃণমূল অফিসে যান। এরপর ৬ মে বরানগরের একটি ক্লাবের সামনে গিয়ে মাইকিং করেন সজল। সেই ক্লাবের ওপর যেন কোনও হামলা না করা হয়, তার জন্য এলাকাবাসী এবং বিজেপি কর্মীদের বার্তা দেন সজল ঘোষ। সেই ক্লাব থেকে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় 'দাদাগিরি' চালানো হত বলে অভিযোগ। তবে আইন নিজেদের হাতে না তুলে নেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন সজল। কেউ দোষ করে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন সজল।
{{/usCountry}}এর আগে ভোটের পরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বরানগর। পুরপ্রধান অপর্ণা মৌলিকের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পরে এলাকায় গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় দেন সজল ঘোষ। তিনি বলেছিলেন, 'পার্টি অফিস ধর্মীয় স্থানের মতো।' এই আবহে তিনি নিজে সেই তৃণমূল অফিসে যান। এরপর ৬ মে বরানগরের একটি ক্লাবের সামনে গিয়ে মাইকিং করেন সজল। সেই ক্লাবের ওপর যেন কোনও হামলা না করা হয়, তার জন্য এলাকাবাসী এবং বিজেপি কর্মীদের বার্তা দেন সজল ঘোষ। সেই ক্লাব থেকে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় 'দাদাগিরি' চালানো হত বলে অভিযোগ। তবে আইন নিজেদের হাতে না তুলে নেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন সজল। কেউ দোষ করে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন সজল।
{{/usCountry}}