...
...
Next Story

Blast in Police Camp: বারাসতের নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শুরু হচ্ছে তদন্ত

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুই থেকে তিন দিন আগে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বাজি উদ্ধার করে নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে এনে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার ভোররাতে হঠাৎ সেই বাজিতে আগুন লেগে যায়। এরপর একের পর এক বিস্ফোরণ হতে থাকে।

Published on: Jul 28, 2026, 10:51:12 IST
Advertisement

উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে মঙ্গলবার ভোররাতে পরপর বিস্ফোরণে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় আশপাশের বাসিন্দাদের। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে তাঁরা দেখেন, গোটা এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। প্রথমে বিস্ফোরণের উৎস নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে জানা যায়, পুলিশ ফাঁড়িতে মজুত করে রাখা উদ্ধার হওয়া বাজিতে আগুন লাগার ফলেই এই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে মঙ্গলবার ভোররাতে পরপর বিস্ফোরণে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে মঙ্গলবার ভোররাতে পরপর বিস্ফোরণে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুই থেকে তিন দিন আগে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বাজি উদ্ধার করে নীলগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে এনে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার ভোররাতে হঠাৎ সেই বাজিতে আগুন লেগে যায়। এরপর একের পর এক বিস্ফোরণ হতে থাকে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ফাঁড়ি চত্বর ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়। পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

পুলিশের প্রাথমিক দাবি, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর মেলেনি। তবে বিস্ফোরণের অভিঘাতে স্থানীয়দের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বসতিপূর্ণ এলাকার মাঝখানে পুলিশ ফাঁড়িতে বিপুল পরিমাণ বাজি মজুত করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, উদ্ধার করা বাজিগুলি যদি নিরাপদ বা নির্দিষ্ট সংরক্ষণস্থলে রাখা হতো, তাহলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।

এবার সেই নীলগঞ্জেরই পুলিশ ফাঁড়িতেই উদ্ধার হওয়া বাজিতে আগুন লেগে বিস্ফোরণের ঘটনায় নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বেআইনি বাজি কারখানা গড়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধার হওয়া বিপজ্জনক বিস্ফোরক সামগ্রী কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে, তা নিয়ে আরও কঠোর নীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কীভাবে উদ্ধার করা বাজিতে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি বাজি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে হতাহতের খবর না থাকলেও এই বিস্ফোরণ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বাজি সংরক্ষণের নিয়ম নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe