এসআইআরের শেষ পর্যায়ে আক্রান্ত হলেন বিএলও। নদিয়ার কালীগঞ্জে শুনানিতে ডাক পাওয়ায় স্থানীয় বিএলও-কে মারধর করার অভিযোগ উঠল আয়াতোল শেখের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ভোটার তালিকায় বাবার থেকে মেয়ের বয়স পাঁচ বছর বেশি ছিল। এই আবহে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির আওতায় শুনানিতে ডাক পড়েছিল আয়াতোলা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের। আর এর জেরেই স্থানীয় বিএলও-র ওপর খাপ্পা হয়ে মারধর চালায় সেই পরিবার। আহত বিএলওর নাম সাহেব আলি শেখ। তাঁকে আহত অব্থায় প্রথমে কালীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শক্তিনগরের হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সাহেব আলি শেখ কালীগঞ্জ ব্লকের ২২৫ নম্বর পার্টের বিএলও। তাঁর বাড়ি রাওতারা গ্রামে। আয়াতোলা শেখের পরিবারে বাবার বয়সের থেকে মেয়ের বয়স বেশি ছিল ভোটার তালিকায়। এই আবহে শুনানিতে ডাক পড়ে তাঁর। সেই সময় বিএলও সাহেবের কাছে জবাবদিহি চায় আয়াতোলা এবং তাঁর পরিবার। এরপরই আয়াতোলারা কাঠ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে সাহেবকে। এতে মাঠা ফেটে যায় সাহেবের।
উল্লেখ্য, এসআইআর পর্বের প্রথম থেকেই বিএলও-দের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই নিয়ে বিরোধী বিজেপি বারবার সব হয়েছে। সরকারি কর্মীরাও নিরাপত্তার দাবি তুলেছিলেন। এই আবহে তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন রাজ্য বিজেপির সহসভাপতি তাপস রায়। এই নিয়ে তিনি বলেন, 'বিএলও-দের নিরাপত্তা নেই এই রাজ্যে। বিএলও-দের দিয়ে এই সব কাজ করাচ্ছে তৃণমূল। আবার তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা মাথা ফাটিয়ে দেয় বিএলও-র। কোনও অভিযোগ উঠলে সেটা খতিয়ে দেখা হোর। তবে পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই। পুলিশও নিষ্ক্রিয়। এখানে ওরাই আদালত। ওরাই বিচারক।'
এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, শুনানি পর্বে ৫ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যাবে। এই ভোটাররা হিয়ারিংয়ের নোটিশ পেলেও হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির ও আনম্যাপড ভোটরদের মধ্যে আরও ১০ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এর আগে এসআইআরের প্রথম পর্বে ফর্ম জমা না পড়ায় মৃত এবং স্থানান্তরিত মিলিয়ে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকায়। এদিকে হাজিরায় অনুপস্থিতির জন্যে আরও ৬ লাখ ভোটার বাদ পড়তে চলেছে। এরই সঙ্গে প্রায় ১০ লাখের মতো ভোটার নাকি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে। কারণ শুনানিতে অনেকেই কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির একটি জমা দিতে পারেননি। এই আবহে প্রায় ৭৫ লাখের কাছাকাছি নাম শেষ পর্যন্ত বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে।
{{/usCountry}}এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, শুনানি পর্বে ৫ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ যাবে। এই ভোটাররা হিয়ারিংয়ের নোটিশ পেলেও হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির ও আনম্যাপড ভোটরদের মধ্যে আরও ১০ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এর আগে এসআইআরের প্রথম পর্বে ফর্ম জমা না পড়ায় মৃত এবং স্থানান্তরিত মিলিয়ে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকায়। এদিকে হাজিরায় অনুপস্থিতির জন্যে আরও ৬ লাখ ভোটার বাদ পড়তে চলেছে। এরই সঙ্গে প্রায় ১০ লাখের মতো ভোটার নাকি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জেরে বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে। কারণ শুনানিতে অনেকেই কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির একটি জমা দিতে পারেননি। এই আবহে প্রায় ৭৫ লাখের কাছাকাছি নাম শেষ পর্যন্ত বাদ পড়তে পারে তালিকা থেকে।
{{/usCountry}}