ক্রমেই ভোট ঘনিয়ে আসছে রাজ্যে। এসআইআর শুরুর পর থেকেই অবশ্য নির্বাচনী আঁচ এসে পড়েছে বাংলায়। এরই মাঝে সামনে এল রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ। বনগাঁ উত্তর বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারে শাশুড়ির উপরে আক্রমণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার বেলডাঙায়। বিধায়ক অশোক কির্তনীয়ার দাবি, তাঁর পরিবারকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করা হয়েছিল।

অভিযোগ, যে গাড়িতে করে বিধায়কের পরিবার ভ্রমণ করছিল, তাতে ভাঙচুর চালানো হয়। কয়েক মাস আগে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এবার হামলার শিকার হল বিজেপি বিধায়কের পরিবার। জানা গিয়েছে, গোপালনগরের বেলডাঙায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়ি। সেই অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথেই বিধায়কের পরিবারের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর চালানো হয় গাড়িতে।
এই ঘটনার পরে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অশোক কীর্তনিয়া বলেন, 'আমার স্ত্রী একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। ওইখানকার তৃণমূলের হার্মাদরা গাড়ির ভিতরে আমার স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করেছিল। ওরা পুরো গাড়ি ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। এই ঘটনার সঠিক বিচার না হলে বনগাঁ অচল করে দেওয়া হবে।' এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দলের স্থানীয় নেতা। গোপালনগর ব্লক ১ তৃণমূলের সভাপতি তাপস পাল দাবি করেন, এসআইআর আতঙ্কে এলাকার একজন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সম্প্রতি। এই নিয়ে বিধায়কের গাড়ি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। তিনি বলেন, 'কিছু সাধারণ মানুষ ওঁর গাড়ি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ আগে এসআইআরকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন। আসলে উনি তো খোঁজ নেন না মানুষের। এবার ওই সাধারণ মানুষ এসআইআর নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন তখন হয়ত কেউ কেউ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ধাক্কাধাক্কি হয়েছে শুনেছি। তবে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।'