ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সীমান্ত বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি সীমান্তবর্তী জেলার জমি বিএসএফকে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, প্রথম দফায় ১৪২.৭৯ একর জমি বিএসএফকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানানো হয়েছে, এর মধ্যে কোচবিহারে ২২.৯২৫ একর, জলপাইগুড়িতে ৩৫.১৬৫ একর, দার্জিলিং-এ ৮.৮১৫ একর, উত্তর দিনাজপুরে ২.৮৪ একর, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২০.১৭০১ একর জমি, মালদহে ১০.৯০ একর, মুর্শিদাবাদে ৩৮.৮০৫ একর, নদিয়ায় ০.৫৫ একর এবং উত্তর ২৪ পরগণায় ২.৬ একর জমি বিএসএফ-কে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং কোচবিহারের মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে জমি হস্তান্তরের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সীমান্ত বরাবর বহু অংশ এখনও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ২২০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে এখনও কয়েকশো কিলোমিটার এলাকায় পূর্ণাঙ্গ বেড়া নির্মাণ হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফকে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, জাল নোট পাচার এবং অন্যান্য অপরাধ রুখতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলেও দাবি করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে আরও জমি হস্তান্তরের কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এদিকে গদিতে বসেই শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করছেন। এই আবহে বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেই হোল্ডিং সেন্টারে সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত নন, এমন বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই সব আটক হওয়া অবৈধবাসীদের সরাসরি তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে। সরকারের এই অবস্থানের ফলে আগেভাগেই শ'য়ে শ'য়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিজেরাই হাকিমপুর সীমান্তে গিয়ে ভিড় করেছে নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য।
{{/usCountry}}এদিকে গদিতে বসেই শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করছেন। এই আবহে বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেই হোল্ডিং সেন্টারে সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত নন, এমন বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই সব আটক হওয়া অবৈধবাসীদের সরাসরি তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে। সরকারের এই অবস্থানের ফলে আগেভাগেই শ'য়ে শ'য়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিজেরাই হাকিমপুর সীমান্তে গিয়ে ভিড় করেছে নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য।
{{/usCountry}}