বাংলাদেশে ভারত বিরোধী বিক্ষোভ তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এবার উত্তরবঙ্গের সীমান্ত নিয়ে তৎপর হতে দেখা গেল বিএসএফকে। এমনিতেই উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি করিডোরকে সুরক্ষিত রাখতে সেনার তরফ থেকে একাধিক ঘাঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। এরই মাঝে উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি মুকেশ ত্যাগীর সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করলেন বিএসএফের ডিজি।

সীমান্তের ওপারের উস্কানি থেকে শুরু করে কাঁটাতারা সমস্যা নিয়ে আইজির সঙ্গে কথা হয় ডিজির। এই আবহে যেকোনও পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে তৈরি থাকার জন্য উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ দেন বিএসএফ প্রধান। এদিকে পরিকাঠামোগত কোনও সমস্যা থাকলে, তা মেরামত করতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলার ১৩০৩ কিমি সীমান্ত।
শিলিগুড়ি করিডোরে ইতিমধ্যেই চোপড়া, কিষাণগঞ্জ এবং ধুবড়িতে সেনাঘাঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। এর আগে সম্প্রতি আবার বিএসএফ, অসম রাইফেলস কর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন ভারতীয় সেনার পূর্বাঞ্চলী কান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচন্দ্র তিওয়ারি। সেই বৈঠকেও সীমান্তের ওপর নজরদারির ওপর জোর দেওয়ার বিষয়ে কথা হয়। এরই মাঝে মিজোরামে একটি ঘাঁটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় সেনা। ১৭ মাউন্টেন স্ট্রাইক কোর এই ঘাঁটি তৈরির যাবতীয় দায়িত্ব পেয়েছে। এছাড়া শিলচর ও মিজোরাম ফ্রন্টিয়ারের অধীনে থাকা তিনটি ব্যাটালিয়ন এলাকায় বাঙ্কার, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রাগার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি রিপোর্টে।
ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক জায়গায় বিএসএফকে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দিয়েছে বিজিবি। এই নিয়ে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে একাধিক জায়গায় সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ অগস্টের পর থেকে। এর জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেও কথা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছে জায়গায় জায়গায়। এছাড়া 'সীমান্ত হত্যা' নিয়ে বাংলাদেশের অনেক অভিযোগ। যদিও পাচারকারীকে রুখতে ব্যর্থ বিজিবি। এই আবহে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বা পাচারকারীর ওপর বিএসএফ গুলি চালালে তাতেও আপত্তি বাংলাদেশের। এদিকে অনেক জায়গাতেই অভিযোগ উঠেছে, টাকা নিয়ে পাচারকারীদের ভারতে অনুপ্রবেশে সাহায্য করে বিজিবি। এই সবের মাঝেই সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্তা থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতারা ভারত ভাগের ডাক দিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনা, বিএসএফ চুপিসারে দৃঢ় পদক্ষেপ করে চলেছে।
{{/usCountry}}ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক জায়গায় বিএসএফকে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দিয়েছে বিজিবি। এই নিয়ে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে একাধিক জায়গায় সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ অগস্টের পর থেকে। এর জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেও কথা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়েছে জায়গায় জায়গায়। এছাড়া 'সীমান্ত হত্যা' নিয়ে বাংলাদেশের অনেক অভিযোগ। যদিও পাচারকারীকে রুখতে ব্যর্থ বিজিবি। এই আবহে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বা পাচারকারীর ওপর বিএসএফ গুলি চালালে তাতেও আপত্তি বাংলাদেশের। এদিকে অনেক জায়গাতেই অভিযোগ উঠেছে, টাকা নিয়ে পাচারকারীদের ভারতে অনুপ্রবেশে সাহায্য করে বিজিবি। এই সবের মাঝেই সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্তা থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতারা ভারত ভাগের ডাক দিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনা, বিএসএফ চুপিসারে দৃঢ় পদক্ষেপ করে চলেছে।
{{/usCountry}}