ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মানবিক সংকটের এক বিরল ছবি সামনে এসেছে জলপাইগুড়িতে। সম্প্রতি ভারত থেকে বিচাড়িত ১০ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশের সীমান্তে বসিয়ে রেখেছে বিজিবি। বর্তমানে সেই বাংলাদেশিদের আশ্রয় দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ।

রিপোর্ট অনুযায়ী, জলপাইগুড়ির শ্যাম সীমান্ত চৌকির কাছে ‘নো-ম্যানস ল্যান্ড’-এ কয়েকদিন ধরে আটকে ছিল ওই বাংলাদেশিরা। অভিযোগ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ শুধু তাদের ফিরিয়েই দেয়নি, পরিবারের পরিচয়পত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই বাংলাদেশিদের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘চিহ্নিতকরণ ও প্রত্যাবাসন’ নীতির জেরে তাঁরা স্বেচ্ছায় সীমান্তে এসেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশে পৌঁছনোর পর তাঁদের আবার সীমান্তে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এর মধ্যে প্রবল বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে পরিবারের অবস্থা আরও সংকটজনক হয়ে ওঠে। মানবিক কারণে বিএসএফ তাদের সীমান্তের অস্থায়ী আশ্রয় থেকে সরিয়ে জলপাইগুড়ির একটি হোল্ডিং সেন্টারে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে বিজিবির কাছে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আবেদন জানিয়েছে বিএসএফ।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ বা অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে টানাপোড়েন বেড়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে জোর করে লোকজন সীমান্ত পার করানোর অভিযোগ তুলেছে। বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতে বিএসএফ ও বিজিবির শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকও চলছে। এই ঘটনার জেরে সীমান্ত নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব যাচাই এবং মানবিক দায়বদ্ধতা— তিনটি বিষয়ই আবার নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেই হোল্ডিং সেন্টারে সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত নন, এমন বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেই হোল্ডিং সেন্টারে সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত নন, এমন বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
{{/usCountry}}