...
...
Next Story

Kolkata honeytrap: শহরের বুকে ভয়াবহ কাণ্ড! কসবার হোটেলে রমরমিয়ে মধুচক্র, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার নাবালিকা-সহ ৩

Kolkata honeytrap: একটি এনজিও-র মাধ‌্যমে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ওই হোটেলের ঘরের ভিতর মধুচক্রের খবর আসে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও দেহব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Published on: Jul 15, 2026, 13:57:11 IST
Advertisement

Kolkata honeytrap: কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা ও তরুণীদের শহরে এনে জোর করে যৌন ব্যবসায়ে নামানোর অভিযোগেকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার কসবার একটি হোটেলে হানা দিয়ে এক নাবালিকা-সহ তিন মহিলাকে উদ্ধার করলেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। এই ঘটনায় হোটেল কর্তৃপক্ষ-সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কসবার হোটেলে রমরমিয়ে মধুচক্র, উদ্ধার নাবালিকা-সহ ৩ (Photo by Jonas Gratzer/LightRocket via Getty Images)
কসবার হোটেলে রমরমিয়ে মধুচক্র, উদ্ধার নাবালিকা-সহ ৩ (Photo by Jonas Gratzer/LightRocket via Getty Images)

পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় ওই হোটেলের ম‌্যানেজার আকাশ গঙ্গোপাধ‌্যায়, রিসেপশনিস্ট আনমোল ঠাকুর, দুই মহিলা পাচারকারী মহম্মদ আসিফ ও মুসকান পারভিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একটি এনজিও-র মাধ‌্যমে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ওই হোটেলের ঘরের ভিতর মধুচক্রের খবর আসে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও দেহব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের দাবি, একটি এনজিও-র মাধ‌্যমে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ওই হোটেলের ঘরের ভিতর মধুচক্র চলার গোপন খবর আসে। অভিযোগ ছিল, সোশ‌্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে টোপ দিয়ে খদ্দেরদের নিয়ে আসা হত হোটেলে। এ ছাড়াও শহরতলি ও বিভিন্ন এলাকা থেকে নাবালিকা ও তরুণীদের কাজের টোপ দিয়ে শহরে নিয়ে এসে জোর করে যৌন ব‌্যবসায় নামানো হত।

সেই খবর পেয়ে লালবাজারের গোয়েন্দারা ফাঁদ পাতেন। এরপর কসবার হোটেলে অভিযান চালানো হয়। ওই হেটেলে হানা দিয়ে ১৫ বছরের নাবালিকা ও দুই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। ধৃতদের জেরা করে চক্রের বাকিদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া তিনজনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গেও মানবপাচার চক্রের যোগ থাকতে পারে। ধৃতদের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানা হবে। খতিয়ে দেখা হবে কতদিন ধরে এই কার্যকলাপ চলছিল এবং এই নেটওয়ার্ক কতটা বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কলকাতা এবং তাঁর আশেপাশের হোটেল, স্পা এমনকী কল সেন্টারের আড়ালে এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ বা মধুচক্রের মতো ঘটনা নতুন কিছু নয়। গোয়েন্দারা এই ধরনের সন্দেহজনক কার্যকলাপের আগাম খবর পেয়ে মাঝে মাঝেই অভিযান চালিয়ে নাবালিকা বা মহিলাদের উদ্ধার করেন। সম্প্রতি একাধিক পাচারচক্রেরও সন্ধান মিলেছে। এদিন কসবাতেও এই ধরনের একটি চক্রের সদ্ধান মিলল।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe