...
...
Next Story

CAA Latest Update: বাংলাদেশি নথি না থাকলেও আবেদন করা যাবে সিএএ-তে, বড় দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

শান্তনু ঠাকুর বলেন, আবেদনকারীদের অনেকের কাছেই বাংলাদেশের পাসপোর্ট, জমির কাগজ বা সরকারি নথি নেই। সেই ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা কোনও সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনের দেওয়া চরিত্র শংসাপত্র বা পরিচয়পত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।

Published on: May 26, 2026, 08:52:22 IST
Advertisement

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু দাবি করেছেন, বাংলাদেশি নথি না থাকলেও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-র মাধ্যমে ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যাবে। তাঁর বক্তব্য, বহু উদ্বাস্তু বা মতুয়া পরিবারের কাছে বাংলাদেশে থাকার পুরনো নথি নেই, তাই বিকল্প ব্যবস্থার কথাও রাখা হয়েছে।

শান্তনু ঠাকুর বলেন, সিএএ-তে আবেদনকারীদের অনেকের কাছেই বাংলাদেশের পাসপোর্ট, জমির কাগজ বা সরকারি নথি নেই।
শান্তনু ঠাকুর বলেন, সিএএ-তে আবেদনকারীদের অনেকের কাছেই বাংলাদেশের পাসপোর্ট, জমির কাগজ বা সরকারি নথি নেই।

রিপোর্ট অনুযায়ী, শান্তনু ঠাকুর বলেন, আবেদনকারীদের অনেকের কাছেই বাংলাদেশের পাসপোর্ট, জমির কাগজ বা সরকারি নথি নেই। সেই ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা কোনও সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনের দেওয়া চরিত্র শংসাপত্র বা পরিচয়পত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, সিএএ কার্যকর হলে বহু মতুয়া ও হিন্দু উদ্বাস্তু 'আইনগত ও সাংবিধানিক নাগরিকত্বের সুরক্ষা' পাবেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র আধার বা ভোটার কার্ড থাকলেই স্থায়ী সাংবিধানিক নাগরিকত্ব নিশ্চিত হয় না, আর সেই কারণেই সিএএ প্রয়োজন।

এদিকে এই মন্তব্য ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে, যদি কোনও বিদেশি নথি ছাড়াই নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়, তাহলে যাচাই প্রক্রিয়া কতটা নির্ভুল হবে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে বহু মানুষ তড়িঘড়ি দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসেছিলেন, তাই তাঁদের কাছে সব নথি থাকা সম্ভব নয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe