...
...
Next Story

Calcutta High Court on Abhishek Banerjee: কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে অভিষেককে, তদন্তে অসহযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন হাই কোর্টের

শুনানি পিছিয়ে গেলেও আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে তদন্তে অসহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে রাজ্য। সেই সঙ্গে প্রশ্ন তোলে, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছেন না।

Published on: Jul 7, 2026, 12:38:49 IST
Advertisement

Calcutta High Court on Abhishek Banerjee: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত ‘ডিজে’ মন্তব্যকে ঘিরে দায়ের হওয়া মামলায় ফের শুনানি পিছিয়ে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। তবে শুনানি পিছিয়ে গেলেও আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে তদন্তে অসহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে রাজ্য। সেই সঙ্গে প্রশ্ন তোলে, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছেন না।

আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। (PTI)
আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। (PTI)

এদিন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। আগামী ৮ জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘আপনি তো রক্ষাকবচ পেয়েছেন। তারপরও কেন আসছেন না?’ আদালতের এই পর্যবেক্ষণ মামলাটিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

রাজ্যের আইনজীবী আদালতে জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে কণ্ঠস্বরের নমুনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য, ‘রক্ষাকবচ যদি দেওয়া হয়, তাহলে তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করতেই হবে। ম্যাজিস্ট্রেট যেতে বলার পরেও তিনি মামলা করছেন। আমরা মামলাকারীর কথাতেই বিশ্বাস করতে পারি না, এটা আদৌ তাঁর কণ্ঠস্বর কি না, তা পরীক্ষা করতেই হবে।’

এর পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট বলেন, ‘ইতিমধ্যে মামলাকারী অভিষেকের রক্ষাকবচ রয়েছে। কেন তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছেন না? কণ্ঠস্বরের নমুনা দিন তদন্তকারীদের।’ আদালতের এই পর্যবেক্ষণ থেকে পরিষ্কার, তদন্তে সহযোগিতা করা অভিষেকের দায়িত্ব বলেই মনে করছে আদালত।

মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বক্তব্যে ব্যবহৃত কণ্ঠস্বরের সত্যতা যাচাই করতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভয়েস স্যাম্পল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। প্রথমে বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা দায়েরের অনুমতি দেন। পরে মামলাটি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে ওঠে। সেই সময় বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছিলেন, তদন্তকারী সংস্থা যদি মনে করে কণ্ঠস্বরের নমুনা প্রয়োজন, তাহলে আদালত কেন সেই তদন্তে হস্তক্ষেপ করবে? ফলে ভয়েস স্যাম্পল সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি।

পরবর্তীতে মামলাটি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে আসে। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। কিন্তু আদালতের সেই পর্যবেক্ষণের পরও তিনি এখনও নমুনা দেননি বলে রাজ্যের দাবি। মঙ্গলবারের শুনানিতে সেই বিষয়টি নিয়েই আদালতে প্রশ্ন ওঠে। যদিও এদিন মামলার চূড়ান্ত শুনানি হয়নি। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী শুক্রবার। তার আগে ৮ জুলাই কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সূচি ঘিরে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং আইন মহলের। আদালতের পর্যবেক্ষণের পর তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe