...
...
Next Story

High Court on Illegal Construction: বেআইনি নির্মাণে কড়া হাই কোর্ট, ৫০০-র বেশি অবৈধ বহুতল নিয়ে জবাবদিহি চাইল আদালত

দীর্ঘদিন ধরেই পূর্ব কলকাতা মহানগর এলাকায় জলাভূমি ভরাট করে বহুতল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবিদদের দাবি, এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ওই এলাকায় বর্তমানে ৫০০-রও বেশি বেআইনি নির্মাণ রয়েছে।

Published on: Jun 27, 2026 07:20 AM IST
Advertisement

তারাতলার সাম্প্রতিক নির্মাণ-সংক্রান্ত বিপর্যয়ের পর বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে যখন রাজ্য প্রশাসন কড়া অবস্থান নিয়েছে, ঠিক সেই সময় আরও কঠোর বার্তা দিল কলকাতা হাই কোর্ট। পূর্ব কলকাতা মহানগর (ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন) এলাকায় জলাভূমি বুজিয়ে এবং পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠা বিপুল সংখ্যক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। এই বিষয়ে প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক, কলকাতা পুরসভার কমিশনার-সহ তিনজন শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাকে আগামী ১৪ জুলাই সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পূর্ব কলকাতা মহানগর এলাকায় বর্তমানে ৫০০-রও বেশি বেআইনি নির্মাণ রয়েছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পূর্ব কলকাতা মহানগর এলাকায় বর্তমানে ৫০০-রও বেশি বেআইনি নির্মাণ রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই পূর্ব কলকাতা মহানগর এলাকায় জলাভূমি ভরাট করে বহুতল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবিদদের দাবি, এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে না, বরং ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কাও বাড়িয়ে তুলছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ওই এলাকায় বর্তমানে ৫০০-রও বেশি বেআইনি নির্মাণ রয়েছে, যা প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানতে চান, এত বিপুল সংখ্যক অবৈধ নির্মাণ কীভাবে গড়ে উঠল এবং প্রশাসন এতদিন কী ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে প্রশ্ন করেন, এই বেআইনি বহুতলগুলির ভবিষ্যৎ কী? যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে নির্মাণগুলি সম্পূর্ণ অবৈধ, তাহলে সেগুলি ভাঙার জন্য প্রশাসনের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী? আদালত জানতে চেয়েছে, এই ধরনের নির্মাণ রুখতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আটকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe