Kolkata Metro Work at Dharamatala: ৭ দিনের মধ্যে ধর্মতলায় শুরু মেট্রোর কাজ! দীর্ঘদিনের জট কাটল হাইকোর্টের নির্দেশে
Kolkata Metro Work at Dharamatala: সাতদিনের মধ্যে ধর্মতলায় শুরু হবে কলকাতা মেট্রোর কাজ। দীর্ঘদিনের জট কাটল কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে। বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সরানোর নির্দেশ দিয়েছে অস্থায়ীভাবে। তারপর ফিরিয়ে আনতে হবে।
Kolkata Metro Work at Dharmatala: ধর্মতলার বিধান মার্কেটে মেট্রোর কাজ শুরুর অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার হাইকোর্ট জানিয়েছে, মেট্রোর কাজের জন্য অস্থায়ীভাবে কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বিধানচন্দ্র রায় মার্কেট বা বিধান মার্কেট স্থানান্তর করা যাবে। প্রাথমিকভাবে বুধবার থেকে দোকান স্থানান্তরের কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে এক সপ্তাহের মধ্যেই কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইনের (জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড লাইন) কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে হাইকোর্ট জানিয়েছে, মেট্রোর কাজ শেষ হওয়ার পরে পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে দোকানদারদের।

বিধান মার্কেট স্থানান্তরের জন্য কী কী শর্ত মানতে হবে?
পাশাপাশি বিধান মার্কেট স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তও বেঁধে দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, মেট্রোর পার্পল লাইনের দায়িত্বপ্রান্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডকে (আরভিএনএল) লিখিতভাবে দোকানদারদের জানাতে হবে যে অস্থায়ীভাবে তাঁদের স্থানান্তর করা হচ্ছে। মেট্রোর কাজ শেষ হলেই তাঁদের পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর মেট্রোর কাজের সময় তাঁরা যেখানে দোকান দেবেন, সেখানে নিশ্চিত করতে হবে পর্যাপ্ত পরিষেবা ও নিরাপত্তা। জল, বিদ্যুৎ সংযোগ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরেই তাঁদের সরানো যাবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: Mid-Day Meal by ISKCON: তালিকায় নন্দীগ্রামও! কলকাতার পর এবার জেলাতেও মিড-ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন
দীর্ঘদিন ধরেই বিধান মার্কেট সরানোর চেষ্টা করছে মেট্রো
আর হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পরে মেট্রোর কাজের ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকল না। যে কাজটা শুরু করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই অপেক্ষা করছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। পার্পল লাইনের এসপ্ল্যানেড স্টেশন নির্মাণের জন্য বিধান মার্কেট বা ময়দান মার্কেট এলাকায় কাজ করতে হবে মেট্রো কর্তৃপক্ষকে। সেজন্য অস্থায়ীভাবে একটি জায়গাও তৈরি করে দেওয়া হয়। কিন্তু দোকানদাররা স্থানান্তরে রাজি হননি প্রাথমিকভাবে।
বিধান মার্কেটের দোকানদাররা কী সওয়াল করেন?
তারইমধ্যে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিধান মার্কেটের দোকানদাররা। তাঁরা সওয়াল করেন, ১৯৫৪ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জমিতে তৈরি বিধান মার্কেট কলকাতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি বাজার। কিন্তু সেখান থেকে তাঁদের স্থানান্তর করার জন্য মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


