...
...
Next Story

Election Duty for Professors: সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ স্থগিত! অধ্যাপকদের নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর হাইকোর্টের

Election Duty for Professors: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বুথে বুথে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে কাজের জন্য রাজ্যের সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার আধিকারিকদের নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়।

Published on: Apr 21, 2026, 21:46:12 IST
Advertisement

Election Duty for Professors: ভোটের ঠিক আগেই বড় স্বস্তি পেল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিভিন্ন কলেজের সহকারী অধ্যাপকদের ভোটের কাজে (প্রিসাইডিং অফিসার) নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, কয়েকজন শিক্ষক মামলা করলেও তাঁদের একাংশ কমিশনের নির্দেশ মতো কাজ শুরু করে দিয়েছেন। গ্রুপ এ অফিসারদের আগাম যুক্তিযুক্ত কারণ না দেখিয়ে যেমন বুথে দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তেমনই ভোটের কাজে তাঁদের কমিশনের কতটা প্রয়োজন সেটাও উপলব্ধি করতে হবে। তাঁদের যদি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেটাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জাতীয় স্বার্থ দেখা বাধ্যতামূলক।

অধ্যাপকদের নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর কলকাতা হাইকোর্টের (HT_PRINT)
অধ্যাপকদের নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর কলকাতা হাইকোর্টের (HT_PRINT)

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বুথে বুথে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে কাজের জন্য রাজ্যের সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার আধিকারিকদের নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়। প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়। অনেকেই ইতিমধ্যে সেই প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। কিন্তু এই নির্দেশ নিয়ে একাংশ সহমত নন। এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন অধ্যাপকদের একাংশ। এরপর ভোটে কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। অধ্যাপকদের বেতন ও পদমর্যাদা মাথায় রেখে, দায়িত্ব দিলে তা পালন করবেন বলেও জানায় সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কমিশন। এদিন সেই নির্দেশই স্থগিত করল ডিভিশন বেঞ্চ।

উচ্চ আদালতের বক্তব্য, অবজারভারের কাজ প্রশাসনিক। কোনওভাবেই তাঁদের দায়িত্ব প্রিসাইডিং অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া নয়। প্রিসাইডিং অফিসারের কাজের পরিধি অনেক দীর্ঘ। এমনকী সেক্টর অফিসারদের কোনও ভূমিকা প্রিসাইডিং অফিসারের উপরে নেই। ফলে তিনি যে পদেরই কর্মী হন না কেন, তাঁদের একাংশ কেন কমিশনের নির্দেশে মান্যতা দিল সেই ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়েছে মামলাকারীরা। আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের জাতীয় স্বার্থ দেখা বাধ্যতামূলক। সেটা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। এমন বৃহৎ কর্মযজ্ঞে কেন্দ্র বা রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেশি কাজে লাগানো হয়। আর এই ক্ষেত্রে সকলেই রাজ্যের সরকারি কলেজের অধ্যাপক।’ হাইকোর্ট লক্ষ্য করেছে, মামলাকারী সংগঠনের প্রেসিডেন্ট স্টেনো, ইন্সট্রাক্টরের মতো পদের কর্মীদের সেক্টর অফিসারের পদে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যেখানে তাঁদের কাছে প্রিসাইডিং অফিসারকে কোনও জবাবদিহি করতে হবে না। বিষয়টা চোখ এড়িয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চের।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks