...
...
Next Story

জন্ম হুগলিতে,১৩ বছর কেটেছে পাকিস্তানে! বৃদ্ধার নাগরিকত্ব নিয়ে কেস নিয়ে হাইকোর্ট… এল রিপোর্ট

ফাতিমা বিবির জীবনের ১৩ বছর কেটেছে পাকিস্তানে। তাঁর জন্ম হুগলির হরিপালে।

Published on: Aug 1, 2026, 21:17:50 IST
Advertisement

ক্ষোভের সুরে হাইকোর্ট বলছে, পাকিস্তানি নাগরিক বলে বৃদ্ধাকে জেলে ভরা হল, অথচ তাঁর দু’টি ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! কোর্টের নির্দেশ, ডকেট নম্বর রয়েছে ২০০২ এবং ২০০৫ সালের। অন্তত খুঁজে তো দেখতে হবে! এই বার্তা কলকাতা হাইকোর্ট দিয়েছে ফতিমা বিবির নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কেসে।

জন্ম হুগলিতে,১৩ বছর কেটেছে পাকিস্তানে! বৃদ্ধার নাগরিকত্ব নিয়ে কেসে হাইকোর্ট...
জন্ম হুগলিতে,১৩ বছর কেটেছে পাকিস্তানে! বৃদ্ধার নাগরিকত্ব নিয়ে কেসে হাইকোর্ট...

বৃদ্ধা ফাতিমা বিবি জন্মেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার হরিপালে। জন্ম ১৯৬৫ সালে।হুগলিতে জমি, কর দেওয়ার রেকর্ড এবং অন্যান্য সরকারি নথি রয়েছে ফতিমাদের। ফাতিমার বাবা মা ভারতীয় নাগরিক। কিন্তু জীবনের ১৩ বছর কেটেছে পাকিস্তানে। তাঁকে পাকিস্তানি নাগরিক বলা হচ্ছে। ফাতিমা গিয়েছেন জেলেও। আনন্দবাজার ডট কম-র রিপোর্ট বলছে, ফতিমার দাবি, তিনি ২০০৩ সালে ভারতের নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে, ফাতিমার অভিযোগ, ফতিমার ফাইল সেখান থেকে হারিয়েছে।সেই ফাইল হারানোর ঘটনা শুনেই ফতিমার নাগরিত্ব সংক্রান্ত এই মামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করছে হাইকোর্ট। কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, যদি এই মামলায় ফাতিমা বিবি নিজেকে ভারতীয় প্রমাণ করেন, তাহলে ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন উঠবে, সেক্ষেত্রে তাঁকে ক্ষতিপূর্ণ কে দেবে! ভারত নাকি পাকিস্তান! প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে, হারানো ফাইল নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, এদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানায়, তাদের কাছে ওই প্রৌঢ়ার ২০০৩ সালের নাগরিকত্বের মূল আবেদনপত্র নেই।এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ আগস্ট।

জানা যায়, ফতিমা ৩ বছর বয়সে প্রথমবার বাবার সঙ্গে যান পাকিস্তানে। ফতিমা এরপর ১৩ বছর ধরে পাকিস্তানে ছিলেন। ১৯৮১ সালে তিনি ভারতে আসেন। ভারতে ফেরার পর ১৯৪২ সালে ফাতিমার বিয়ে হয়। তাঁর দুই কন্যা সন্তান জন্মায়, তাঁরাও জন্মসূত্রে ভারতের নাগরিকত্ব পান। তবে ফাতিমা নিজের নাগরিকত্বের আবেদন জানিয়ে ২০০৩ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দ্বারস্থ হন। ২০০৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে তাঁর ভারতে থাকার মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করে বলেও জানা গিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe