...
...
Next Story

'মনে হয় তাঁর মুখ দেখতে...,' অভিষেকের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ব্যাঙ্ককে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের, বাড়িতেই KYC...

Abhishek Banerjee Case:ব্যাঙ্কের আইনজীবী দাবি করেন, ব্যাঙ্কের কিছু অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে কেওয়াইসির জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছে এবং প্রকাশ্যে তা বলা সম্ভব নয়।এর জবাবে বিচারপতি বলেন, 'থাকতেই পারে। কিন্তু একজন গ্রাহককে না জানিয়ে কী ভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারেন?'

Published on: Aug 20, 2026, 16:41:10 IST
Advertisement

Abhishek Banerjee Case: সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) বিদেশযাত্রার অনুমতি দেওয়ার পর তৈরি হয় নতুন সঙ্কট। ফ্রিজ হয়ে যায় সাংসদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। বৃহস্পতিবার সেই মামলা শুনানিতে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করায় ব্যাঙ্ককে তীব্র ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সশরীরে ব্যাঙ্ককে গিয়ে কেওয়াইসি (KYC) করাতে হবে, সেই প্রশ্ন তোলে উচ্চ আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণ রাও মন্তব্য করেন, 'এখন অনলাইনে কেওয়াইসি হয়! ব্যাঙ্ক কী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ দেখতে চাইছে?' আজই বাড়ি গিয়ে কেওয়াইসি আপডেট করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ব্যাঙ্ককে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (PTI)
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ব্যাঙ্ককে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (PTI)

ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিরুদ্ধে গত সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১০৭ ধারা প্রয়োগ ছাড়াই কীভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হতে পারে? সেই প্রশ্ন উঠেছিল আগের শুনানিতে। বিচারপতি রাও জানতে চেয়েছিলেন, কোনও তদন্ত চলছে কিনা। তবে অভিষেকের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, তাঁর মক্কেল আদালতের নির্দেশ মতো তদন্ত সহযোগিতা করছেন। তার সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কোনও সম্পর্ক নেই। ব্যাঙ্ককে নোটিস দেওয়ার কথা বলেছিল আদালত। আজ ছিল, সেই মামলার শুনানি।

বৃহস্পতিবার শুনানির শুরুতে অভিষেকের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানান, তাঁর মক্কেলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও দুটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করে দেওয়া হয়েছে, অথচ এ বিষয়ে আগে থেকে তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি। পরবর্তী সময়ে ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কেওয়াইসি করানোর কথা বলা হয়, অথচ সেই কেওয়াইসি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। এই বক্তব্য শোনার পরই বিচারপতি সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের উদ্দেশে বলেন, 'এখন অনলাইনে কেওয়াইসি হয়। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও অনলাইনে ওই পদ্ধতি হয়ে যাচ্ছে। অভিষেকের ক্ষেত্রে কেন কেওয়াইসির জন্য ডেকে পাঠানো হল? মনে হয় তাঁর মুখ দেখতে চাইছে ব্যাঙ্ক।' কেওয়াইসি করার জন্য অভিষেককে ব্যাঙ্ক যে চিঠি পাঠিয়েছিল, তারও তীব্র সমালোচনা করে আদালত জানায়, এক জন গ্রাহককে কখনওই এই ভাষায় চিঠি পাঠাতে পারে না ব্যাঙ্ক। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দিয়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে এক্ষেত্রে কোনও বাড়তি সময় দেওয়া হবে না।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe