...
...
Next Story

Child Death: ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট! শিশুমৃত্যুতে কলকাতা মেডিক্যালে তদন্ত কমিটি গঠন

Child Death: রবিবার সকালে আন্দুলের বাসিন্দা ওই শিশুকে নিয়ে আসা হয় কলকাতা মেডিক্যালে। পেটে ব্যথা নিয়ে সকাল ১০টা নাগাদ তাকে ভর্তি করানো হয় মেডিক্যালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবে। কিন্তু পরিবারের দাবি, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হয় তার।

Published on: Oct 26, 2026, 18:35:04 IST
Advertisement

Child Death: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রবিবার শিশুমৃত্যুর ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মৃত শিশুর পরিবারের অভিযোগ, একটি ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরেই নাবালকের মৃত্যু হয়েছে। জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ বলছে, শিশুটির যে উপসর্গ দেখা দিয়েছিল, তাতে ওই র‌্যান্টাক আইএম ইঞ্জেকশন দেওয়ার ঘটনা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর‌ই রোগী শকে চলে যায় এবং তার থেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকদের একাংশের দাবি।

শিশুমৃত্যুতে কলকাতা মেডিক্যালে তদন্ত কমিটি গঠন (সৌজন্যে এক্স )
শিশুমৃত্যুতে কলকাতা মেডিক্যালে তদন্ত কমিটি গঠন (সৌজন্যে এক্স )

রবিবার সকালে আন্দুলের বাসিন্দা ওই শিশুকে নিয়ে আসা হয় কলকাতা মেডিক্যালে। পেটে ব্যথা নিয়ে সকাল ১০টা নাগাদ তাকে ভর্তি করানো হয় মেডিক্যালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবে। কিন্তু পরিবারের দাবি, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হয় তার। ভুল চিকিৎসার জেরে ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার লক্ষ্মীপুজোর দিন এই শিশুমৃত্য ঘিরে তোলপাড় হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। চিকিৎসায় গাফিলতিতে শিশুমৃত্যু হয়েছে এই অভিযোগে ব্যাপক গন্ডগোল শুরু হয় হাসপাতালে। মারমুখী হয়ে ওঠেন মৃত নাবালকের পরিজনেরা।

এই ঘটনার তদন্তের জন্য চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিশুরোগ বিভাগের অধ্যাপক রাকেশ মণ্ডলের নেতৃত্বে ওই কমিটিতে রয়েছেন শিশুশল্য বিভাগের প্রধান সুজয় মৈত্র, কার্ডিয়োলজির চিকিৎসক ইমরান আহমেদ‌ এবং মেডিসিনের চিকিৎসক সঞ্জয় মণ্ডল। যত দ্রুত সম্ভব রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে কমিটিকে। মৃতের এক আত্মীয় বলেন, 'আমাদের চোখের সামনে তিনটে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওরা জানাচ্ছে, দুটো ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে।' অন্যদিকে, ঘটনা সম্পর্কে অবহিত জুনিয়র চিকিৎসকদের বক্তব্য, পেটের ব্যথা কমানোর জন্য ওই শিশুকে প্রথমে ডর্টিন নামে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। তার পাশাপাশি গ্যাসের ওষুধ প্যান্টোপ্রাজল দেওয়ার কথা ভাবেন সেই সময়ে শিশু বিভাগে কর্মরত ইন্টার্ন। কিন্তু প্যান্টোপ্রাজল মজুত না থাকায় সেটি বাইরে থেকে বাড়ির লোককে আনাতে বলা হয়।‌ শিশুর পরিজনেরা ওষুধ আনতে দেরি করায় প্যান্টোপ্রাজলের বিকল্প হিসাবে র‌্যানটাক আইএম নামে একটি ইঞ্জেকশন দে‌ওয়া হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার কলকাতা মেডিক্যালে পৌঁছন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিজয় ওঝা। মৃত শিশুর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দেন তিনি। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠনেরও আশ্বাস দেন তিনি। সেই মতো গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। প্রথমে সন্তানের দেহের ময়নাতদন্তে রাজি ছিলেন না বাবা-মা। ছেলের দেহে কাটাছেঁড়া হোক, তা চাননি তাঁরা। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অনুরোধে ময়নাতদন্তে সম্মতি দেন। মন্ত্রীর কথায়, 'বাবা-মা গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। আমি তাঁদের অভিযোগ মাথা পেতে নিচ্ছি। একটা ইঞ্জেকশন দেওয়ার ফলে এই মৃত্যু হতে পারে বলে ওঁদের অভিযোগ। আমি বলেছি, এই অভিযোগগুলির সত্য কি মিথ্যা তা প্রমাণ করার জন্য ময়নাতদন্ত বাঞ্ছনীয়।' তিনি জানান, ইঞ্জেকশন কখন দেওয়া হয়েছে, কী মাত্রায় দেওয়া হয়েছে, সঠিক ইঞ্জেকশন কি না— সবই বোঝা যাবে ময়নাতদন্তের পর।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks