Calcutta Medical College & Hospital MSVP: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সুপার তথা ভাইস প্রিন্সিপাল (MSVP) ডঃ অঞ্জন অধিকারীকে বদলি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার স্বাস্থ্য ভবনের তরফে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, রায়গঞ্জ মেডিক্যালে তিনি ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের নতুন সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেনারেল সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক চিকিৎসক শান্তনু সেন। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই দায়িত্ব বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

যদিও সরকারিভাবে বদলির কারণ জানানো হয়নি। তবে রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, হাসপাতালের ‘রেফার সংস্কৃতি’ এবং রোগী ভোগান্তি নিয়ে অসন্তোষের জেরেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকারি হাসপাতালগুলিতে অকারণে রোগী রেফার করা বন্ধ করার জন্য কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। এরপরই এই প্রশাসনিক রদবদল ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, অঞ্জন অধিকারী এর আগেও আলোচনায় এসেছিলেন আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন। ২০২৪ সালে তাঁকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদও করেছিল। যদিও সেই সময় তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁকে নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগে প্রশ্ন করা হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকারি হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো ও পরিষেবা উন্নত করতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। রোগীরা যাতে বেডের অভাবে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যান, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর আগেই নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশের পরেও কলকাতা মেডিক্যালে বেড না পাওয়ার অভিযোগ উঠতে থাকে। এরপরই প্রশাসনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর।
এছাড়াও সরকারি হাসপাতালে দালালচক্র, টাকার বিনিময়ে বেড পাইয়ে দেওয়া এবং নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কলকাতার পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। হাসপাতালগুলিতে বাড়ানো হচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা, কড়াকড়ি হচ্ছে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, বাড়ছে নজরদারিও।
{{/usCountry}}এছাড়াও সরকারি হাসপাতালে দালালচক্র, টাকার বিনিময়ে বেড পাইয়ে দেওয়া এবং নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কলকাতার পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। হাসপাতালগুলিতে বাড়ানো হচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা, কড়াকড়ি হচ্ছে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, বাড়ছে নজরদারিও।
{{/usCountry}}