সরকারি কর্মীরা যেন কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ না করেন, এই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জ্ঞানেশ কুমার সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'কোনও ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়া আইন কার্যকর করুন'। এরই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, 'এসপি, জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটারদের সুরক্ষার সব ব্যবস্থা করতে হবে। ভোটার বা ভোটকর্মীকে ভয় দেখানো যাবে না। কমিশন এই বিষয়টি কোনও ভাবেই মেনে নেবে না।'

এদিকে এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশ কুমার বলেন, 'কোনও বৈধ ভোটার যেন বাদ না যায়, কোনও অবৈধ ভোটার যেন ভোট না দিতে পারে, এটাই ছিল এসআইআরের একমাত্র উদ্দেশ্য। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং এসআইআর অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে।' এদিকে ভোটারদের নাম তালিকায় না থাকা প্রসঙ্গে যে আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, 'কিছু ভোটার আছে, তাদের রাজনৈতিক দলগুলি বোঝাতে পারেনি যে যাদের নাম নেই, তারা ফর্ম ৬ ভরতে পারে ও ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারে। সেই কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।' এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের ক্রমাগত আক্রমণ প্রসঙ্গে জ্ঞানেশ কুমার বলেন, 'ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সকলের বাক্স্বাধীনতা আছে। রাজনৈতিক দল কিছু বলতেই পারে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিই না।'
এদিকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দাবি করেন, ভোটদানে যুব সম্প্রদায়কে উৎসাহিত করতে কলেজে কলেজে প্রচার করবে কমিশন। তিনি বলেন, প্রত্যেক বিধানসভায় বিশেষ অফিসার থাকবেন, যাঁরা তরুণ ভোটারদের উৎসাহিত করতে ক্যাম্পেন করবেন। এদিকে বয়স্ক ভোটারদের কথা বিবেচনা করে সব পোলিং স্টেশন একতলায় হবে বলে জানান জ্ঞানেশ কুমার। সঙ্গে তিনি এও জানান, বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। ৮৫ বছরের বেশি বয়স্কদের বাড়ি থেকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে রাজ্যে ভোট কত দফায় হবে? এই নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, 'কত দফায় ভোট, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দল পরামর্শ দিয়েছে। কত দফায় ভোট হবে, সে বিষয়ে দিল্লি ফিরে নিশ্চিত করা হবে। বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভোটের দফা ঠিক হবে।' উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল, সোমবার রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এই আবহে নির্বাচনী হিংসা নিয়ে তাঁর বার্তা, 'হিংসা ও ভয়মুক্ত ভোট করতে হবে। কোনও ভোটারের ওপর চাপ দেওয়ায়ও সহ্য করা হবে না। আগে যে প্রাক ও পরবর্তী ভোট হিংসা হত, আশা করছি, এবারের নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সেটা এবার হবে না।'
{{/usCountry}}এদিকে রাজ্যে ভোট কত দফায় হবে? এই নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, 'কত দফায় ভোট, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দল পরামর্শ দিয়েছে। কত দফায় ভোট হবে, সে বিষয়ে দিল্লি ফিরে নিশ্চিত করা হবে। বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভোটের দফা ঠিক হবে।' উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল, সোমবার রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এই আবহে নির্বাচনী হিংসা নিয়ে তাঁর বার্তা, 'হিংসা ও ভয়মুক্ত ভোট করতে হবে। কোনও ভোটারের ওপর চাপ দেওয়ায়ও সহ্য করা হবে না। আগে যে প্রাক ও পরবর্তী ভোট হিংসা হত, আশা করছি, এবারের নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সেটা এবার হবে না।'
{{/usCountry}}এদিকে মমতা সহ বিরোধীরা বারংবার ইভিএম নিয়ে অভিযোগ করে আসছেন। এই পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশ কুমার বলেন, 'কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর সাত দিনের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করানো যাবে।' সঙ্গে তিনি জানান, রাজ্যে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং হবে। তিনি জানান, দু’ঘণ্টা অন্তর ভোটদানের হার জানাবেন প্রিসাইডিং অফিসারেরা। ইসিআইনেট অ্যাপে এবং কমিশনের সাইটে ভোটদানের হার আপলোড করা হবে।