...
...
Next Story

Teachers Duty during Census 2027: স্কুলের পরে বা ছুটির দিনে জনগণনার কাজ করতে হবে, অন-ডিউটি পাচ্ছেন না শিক্ষকরা

Teachers Duty during Census 2027: স্কুলের পরে বা ছুটির দিনে (সপ্তাহান্তে) জনগণনার কাজ করতে হবে। অন-ডিউটি পাচ্ছেন না শিক্ষকরা। রাজ্য সরকারের স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। তা নিয়ে কিছুটা উষ্মাপ্রকাশ করেছেন শিক্ষক মহলের একাংশ।

Published on: Aug 3, 2026, 19:42:38 IST
Advertisement

Teachers Duty during Census 2027: স্কুলের পঠন-পাঠন বজায় রেখেই জনগণনার কাজ করতে হবে। স্পষ্ট জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার। সোমবার রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এমনভাবে জনগণনার কাজ করতে হবে, যাতে স্কুলের সাধারণ কাজকর্ম বা পঠনপাঠন ব্যাহত না হয়। স্কুল বা ক্লাসের সময়ের পরে অথবা সপ্তাহান্তে তাঁদের জনগণনার কাজ করতে হবে বলে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ অন-ডিউটি পাচ্ছেন শিক্ষকরা।

কেন অন-ডিউটি দেওয়া হল না? প্রশ্ন শিক্ষক মহলের একাংশের

জনগণনার স্বপঞ্জিকরণের সময় মুথ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
জনগণনার স্বপঞ্জিকরণের সময় মুথ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

যদিও রাজ্যের সেই নির্দেশিকা নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন শিক্ষক মহলের একাংশ। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই শিক্ষকদের শিক্ষা বহির্ভূত কাজে নিযুক্ত করার বিরুদ্ধে। কিন্তু জোর করে এই ডিউটি দেওয়া হলে অন-ডিউটি ছাড়া কাজ কীভাবে সম্ভব? এই নোটিশ যদি সত্য হয় তাহলে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। যে দিনগুলি সেন্সাসের কাজে লাগানো হবে, সেই দিনগুলো অন-ডিউটি দিতেই হবে। এছাড়া কোনওভাবে এই কাজ করা সম্ভব নয়। এর পরিবর্তে প্রয়োজনে তাঁরা অন্যদের কাজে লাগিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করুক।’

আরও পড়ুন: Jadavpur University Campus Placements: ক্যাম্পাসিংয়ে ৬২ লাখ টাকার চাকরি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের! ১৫ লাখের উপরে কতজন?

১৬ অগস্ট থেকে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন গণনাকারীরা

আরও পড়ুন: Greater Kolkata Ingrastructure Plan: বৃহত্তর কলকাতাকে চেনাই যাবে না! রিং রোড, এলিভেটেড করিডোর-সহ 'ভিশন ২০৪৭'-র নকশা

জনগণনার কাজ করা সাংবিধানিক দায়িত্ব, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজে স্বপঞ্জিকরণের মাধ্যমে জনগণনার ফর্মপূরণের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান যে এটা সাংবিধানিক দায়িত্ব। ইতিমধ্যে গণনাকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। যাঁরা অনলাইনে ফর্মপূরণ করেননি, তাঁদেরও তথ্য সংগ্রহ করবেন গণনাকারীরা। আর যাঁরা অনলাইনে ফর্মপূরণ করবেন, তাঁদের থেকে যা প্রয়োজন, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe