Bengal Maritime Investment and Jobs: বাংলায় ১৯,২০৯ কোটির বিনিয়োগ! হবে সমুদ্র-বাণিজ্য ও জাহাজ শিল্পের হাব, ৬২৫০০ চাকরি
Bengal Maritime Investment and Jobs: বাংলায় ১৯,২০৯ কোটি টাকার মেগা বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হল। ২০৩১ সালের মধ্যে সমুদ্র-বাণিজ্য ও জাহাজ শিল্পের হাব গড়ে তুলতে চাইছে রাজ্য। আর তার ফলে তৈরি হবে ৬২,৫০০-র বেশি চাকরি।
Bengal Maritime Investment and Jobs: পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়নে নয়া অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। ২০৩১ সালের মধ্যে রাজ্যকে পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্য, লজিস্টিকস এবং জাহাজ নির্মাণ হাব হিসেবে গড়ে তুলতে ১৯,২০৯ কোটি টাকার বিনিয়োগের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই মেগা পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করলেন কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

৬২,৫০০ নতুন কর্মসংস্থানের দিশা
কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই ১৯,২০৯ কোটি টাকার প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৬২,৫০০-এরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এই বিনিয়োগের ফলে রাজ্যের বন্দর পরিকাঠামো, অভ্যন্তরীণ জলপথ, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্প এবং লজিস্টিক সেক্টর এক অভাবনীয় গতি পাবে।
কী কী পরিকল্পনা করা হয়েছে?
কেন্দ্রের ‘মেরিটাইম অমৃত কাল ভিশন ২০৪৭’-এর অধীনে এই পুরো বিনিয়োগের ব্লু-প্রিন্ট বা রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলি হল -
১) বলাগড় মাল্টিমোডাল লজিস্টিক হাবের উন্নয়ন।
২) কলকাতা ও হলদিয়া ডকের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ।
৩) অভ্যন্তরীণ জলপথের শক্তি বৃদ্ধি।
৪) আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের আধুনিক পরিকাঠামো তৈরি।
৫) ক্রুজ পর্যটন এবং নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের পুনর্বিন্যাস।
৬) বন্দর-ভিত্তিক একাধিক শিল্প ক্লাস্টার গড়ে তোলা।
আদানির বৈঠকের পরদিনই বড়সড় পরিকল্পনা
এই বৈঠকের ঠিক একদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণ আদানির সঙ্গে বৈঠক করেন। পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে রাজ্যের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, নতুন সরকার আসতেই সেই জট কাটতে শুরু করেছে। আদানির সঙ্গে বৈঠকের ঠিক পরদিনই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই সফর রাজ্যের শিল্পায়নে বেসরকারি পুঁজি আকর্ষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সামুদ্রিক বাণিজ্যের ভবিষ্যতের কেন্দ্রবিন্দু হলো পশ্চিমবঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গতিশীল নেতৃত্বে আমরা প্রায় ১৯,২০৯ কোটি টাকার এই বিনিয়োগের মাধ্যমে কলকাতা এবং হলদিয়া বন্দরকে পূর্ব ভারতের প্রধান সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’ তিনি আরও জানান যে, এই পরিকাঠামো তৈরি হলে পরিবহণ খরচ অনেকটাই কমবে, যা রাজ্যের রফতানি বাণিজ্যকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


