WB Public Buses Demand: বাংলায় ‘ডবল’ করা হোক বাস, উঠল দাবি, কলকাতায় প্রতি লাখ জনসংখ্যায় চলে মোটে ২৩টি
WB Public Buses Demand: ‘#DoubleTheBus’ (ডবল দ্য বাস) স্লোগান তোলা হল। ওই প্রচার কর্মসূচির মূল বার্তা হল - পশ্চিমবঙ্গের শহরগুলিকে আরও বাসযোগ্য করতে হলে গণপরিবহণে জোর দিতেই হবে। আপাতত কলকাতায় প্রতি লাখ জনসংখ্যায় চলে মোটে ২৩টি বাস।
WB Public Buses Demand: বিশ্ব পরিবেশ দিবসের আগে পশ্চিমবঙ্গে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে রাস্তায় নামলেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার কলকাতা ও দুর্গাপুরের তাঁরা বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে ব্যানার এবং প্ল্যাকার্ড হাতে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন। স্লোগান তোলেন ‘#DoubleTheBus’ (ডবল দ্য বাস)। তাঁরা দাবি করেন, পরিবেশ রক্ষা, জ্বালানি খরচ কমানো এবং যানজটমুক্ত বাসযোগ্য শহরের দাবিতে গণপরিবহণ আরও উন্নত করতে হবে। আর সেজন্য বাসের সংখ্যা বাড়াতে হবে। তাতে একদিকে অর্থনীতি লাভবান হবে, তেমন পরিবেশেরও ভালো হবে বলে দাবি করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

কলকাতায় প্রতি লাখ জনসংখ্যায় কত বাস চলে?
আর্থঅন ফাউন্ডেশনের সদস্য ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন রাজ্য পরিবহণ সংস্থা এবং শহুরে বাস পরিষেবা প্রদানকারী তরফে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় ভারতের অনেক শহরে মাথাপিছু অনেক কম বাস চলাচল করে।
কেন্দ্রীয় নগর বিষয়ক মন্ত্রক যেখানে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যায় ৪০ থেকে ৬০টি বাস চালানোর মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে, সেখানে কলকাতায় মাত্র ২৩টি বাস চলাচল করে। যা ভারতের প্রধান শহরগুলির মধ্যে অনেকটাই কম। বেঙ্গালুরুতে যেমন প্রতি এক লাখ জনসংখ্যায় গড়ে ৪৭টি বাস রয়েছে।
গণপরিবহণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার দাবি তোলা হল
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম মহানগরী হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র শহরের বাস পরিষেবার জন্য নির্দিষ্ট রাজ্য কোনও পরিবহন সংস্থা নেই। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগম (WBTC) এবং বেসরকারি অপারেটরদের যৌথ ভরসায় চলছে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের গণপরিবহণ ব্যবস্থা। গণপরিবহণে পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাবে সাধারণ মানুষকে ব্যক্তিগত যানবাহনের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে , যার ফলে জ্বালানি খরচ, বায়ুদষূণ এবং যানজট ক্রমশ বাড়ছে । জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।
সেই রেশ ধরে আর্থঅন ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর বিনয় জাজু বলেন, ‘সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য যাতায়াত ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হল হল বাস। দূষণ, যানজট এবং পরিবহণের বৈষম্য কমাতে বাসের সংখ্যা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


