...
...
Next Story

Chandannagar Station New Look: আধুনিক লাউঞ্জ, নয়া ব্রিজ, ফরাসি ছাপ- চন্দননগর স্টেশন কেমন দেখতে হচ্ছে? রইল ছবি

চন্দননগর স্টেশনকে ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের আওতায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে। ভারতীয় রেলের তরফে জানানো হয়েছে, সংস্কারের মাধ্যমে স্রেফ বাহ্যিক ভোলবদল হচ্ছে না, বরং এক নবজাগরণ হচ্ছে চন্দননগর স্টেশনের। দেখে নিন সেই ছবি।

Published on: Feb 18, 2026, 19:37:31 IST
Advertisement

‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের আওতায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে চন্দননগর স্টেশনকে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, চন্দনগনর স্টেশনকে নতুনভাবে সাজিয়ে তুলতে ৯.৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে সংস্কারের কাজ। আর সংস্কারের মাধ্যমে স্রেফ বাহ্যিক ভোলবদল হচ্ছে না, বরং এক নবজাগরণ হচ্ছে চন্দননগর স্টেশনের। ফরাসি নান্দনিকতার সঙ্গে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটানো হচ্ছে। সার্বিকভাবে ঐতিহ্যবাহী রেলওয়ে স্টেশনকে চন্দননগরের ‘সিটি সেন্টার’ হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে পূর্ব রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে।

নতুনভাবে সাজানো চন্দননগর স্টেশনে কী কী থাকছে?

চন্দননগর স্টেশনকে ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের আওতায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে। (ছবি সৌজন্যে Indian Railways)
চন্দননগর স্টেশনকে ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের আওতায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে। (ছবি সৌজন্যে Indian Railways)

১) বিশ্রামাগার: ১৪০ বর্গমিটারের প্রশস্ত লাউঞ্জ থাকছে। ৫০ স্কোয়ার ফুটের আধুনিক শৌচাগার ব্লকও থাকছে নবনির্মিত চন্দননগর স্টেশনে।

২) প্রযুক্তি-নির্ভর ট্রানজিট: এটিভিএম (অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন), হাই-স্পিড মোবাইল বা ল্যাপটপ চার্জার এবং পরিবেশ-সচেতন যাত্রীদের জন্য ইভি (বৈদ্যুতিন গাড়ি) চার্জিং স্টেশন।

৩) শিল্প ও সংস্কৃতি: স্টেশনের দেওয়ালগুলো ক্যানভাস হিসেবে ব্যবহৃত হবে, যা স্থানীয় ঐতিহ্য এবং শহরের বিখ্যাত শিল্পকলাকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলবে।

৪) নতুন স্টেশন ভবন গড়ে তোলা হচ্ছে। ১,৫৭৪ বর্গমিটারের বিশাল প্ল্যাটফর্ম শেড তৈরি করা হবে। ৩,৫০০ বর্গমিটার প্ল্যাটফর্মের উপরের অংশের সংস্কারেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৈরি করা হচ্ছে একটি ফুট ওভারব্রিজ।

৫) স্টেশনে সিসিটিভি ক্যামেরা, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম থাকছে। পরিবেশের কথা মাথায় বৃষ্টির জল সংরক্ষণ এবং সৌরশক্তির মতো দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

৬) পূর্ব রেলের তরফে বলা হয়েছে, ‘হলুদ স্ট্রিপ ও থার্মোপ্লাস্টিক লেন মার্কিং দ্বারা চিহ্নিত জরুরি বহির্গমন পথের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে।’

নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে চন্দননগর স্টেশনকে।

'ফরাসি নান্দনিকতা ও ভারতীয় শিল্পের সংমিশ্রণ হবে চন্দননগর স্টেশন'

রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে, 'কাজ শেষ হলে চন্দননগর হবে একটি বিশ্বমানের স্টেশন - যা ফরাসি নান্দনিকতা এবং ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অনন্য সংমিশ্রণ হয়ে উঠবে। চন্দনগর স্টেশন কেবলমাত্র একটি স্টেশন থাকবে না, বরং এটি হবে এক উদীয়মান আধুনিক ভারতের প্রতীক, যা তার ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে ভবিষ্যতের দিকে দ্রুত এগিয়ে চলে।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe