...
...
Next Story

Alimuddin Street Chandi Path: আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে চণ্ডীপাঠ সনাতনীদের! 'এসব করে লাভ নেই' তোপ সুজনের

Alimuddin Street Chandi Path: সত্যজিৎ দাস নামে জনৈক বিশারদকে অতিথি করে মঙ্গলবার আলিমুদ্দিনে চণ্ডীপাঠের ডাক দেওয়া হয়েছিল। পূ্র্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এদিন সকাল থেকে চণ্ডীপাঠ শুরু হয়।

Published on: Oct 13, 2026, 20:00:31 IST
Advertisement

Alimuddin Street Chandi Path: দুর্গাপুজো না লিখলে মণ্ডপের কাছে সিপিএম-এর বুক স্টল করা যাবে না বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএম-এর সদর কার্যালয় থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে চণ্ডীপাঠের আয়োজন করল এনডিএ-এর শরিক দল রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া (আঠাওয়ালে)। বেশ কয়েকজন মহিলা সেখানে চণ্ডীপাঠ করেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুও (Sayantan Basu)। ফলে সেখানকার পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে ওঠে। এ নিয়ে আলিমুদ্দিনের কর্তাদের অবশ্য বিশেষ মাথাব্যথা নেই। সিপিএম-এর বর্ষীয়ান নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘আমাদের অনেক কর্মী আছেন, যাঁরা ওঁদের সঠিকভাবে চণ্ডীপাঠ করাটা শিখিয়ে দিতে পারবেন।'

আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে চণ্ডীপাঠ সনাতনীদের! (সৌজন্যে এক্স )
আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে চণ্ডীপাঠ সনাতনীদের! (সৌজন্যে এক্স )

আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএম রাজ্য দফতর। এজেসি বোস রোড থেকে আলিমুদ্দিনে ঢোকার মুখে যে পেট্রোল পাম্প রয়েছে, সেখানেই চণ্ডীপাঠের মঞ্চ বাঁধা হয়। সত্যজিৎ দাস নামে জনৈক বিশারদকে অতিথি করে মঙ্গলবার আলিমুদ্দিনে চণ্ডীপাঠের ডাক দেওয়া হয়েছিল। পূ্র্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এদিন সকাল থেকে চণ্ডীপাঠ শুরু হয়। বেশ কয়েকজন মহিলা উদাত্ত কণ্ঠে পাঠ করেন। মাইক্রোফোনের দৌলতে সেই শব্দ পৌঁছে যায় বহু দূর পর্যন্ত। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে মুজাফ্ফর আহমেদ ভবন সিপিএমের সদর দফতর, অন্যান্য বামপন্থী দলগুলিও অহরহ এখানে আসে দলীয় কাজের জন্য। সেই পার্টি অফিসের অদূরেই এই চণ্ডীপাঠের আয়োজন করা ‘নাস্তিক’ বামেদের বিশেষ বার্তা দেওয়া বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এ প্রসঙ্গে চণ্ডীপাঠে অংশগ্রহণকারী এক ব্যক্তি বলেন, ‘এই বামপন্থীরা সবসময় সনাতন ধর্মকে অপমান করে এসেছে। আমরা তাই ওদের পার্টি অফিসের সামনেই আজ নিজেদের ধর্মপালন করলাম। এখন আর কেউ বাধা দিতে পারবে না।'

যদিও চণ্ডীপাঠ অর্থাৎ সনাতনী সংস্কৃতির এই চর্চা বামেদের নীতি বিরোধী বলে মনে করছেন না কমরেডকুলের নেতারা। বরং বিষয়টিকে হালকাভাবেই গ্রহণ করেছেন প্রবীণ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, ‘এসব করে লাভ নেই। আমাদের এমন বহু কর্মী আছেন, যাঁরা ওঁদের ভালো করে চণ্ডীপাঠ শিখিয়ে দিতে পারবেন। আজ যেটা হল, সেটা আদৌ সঠিকভাবে চণ্ডীপাঠ কিনা, সেটা আমাদের কর্মীরাই বলে দিতে পারবেন।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks