মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর প্রতিশোধ নিতেই চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করলেন তাঁর মা হাসি রথ। এদিকে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবি জানালেও তিনি জানান, দোষীদের মৃত্যুদণ্ড তিনি চান না। তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় এই ভোটের লড়াইয়ে ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম, চন্ডীপুর বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্বে ছিল চন্দ্রনাথ, যার জন্য ও টার্গেট ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে শুভেন্দুবাবু হারাতেই প্রতিশোধ নেওয়া হল বলে আমার মনে হয়।'

তৃণমূলকে তোপ দেগে চন্দ্রনাথের মা বলেন, 'আজ আমরা ক্ষমতায় আসার পর, যখন আমাদের নেতা বলছেন সুশৃঙ্খলভাবে থাকতে, তখন শাসকদের যাঁরা গরম গরম বক্তৃতা দিয়েছিল যে চার তারিখের পর কোনও বাপ রক্ষা করতে পারবে না, সেটাই করে দেখাল। আমি নতুন সরকারের কাছে আবেদন করব আমার ছেলের মৃত্যুর পিছনে যারা রয়েছে, তাদের যেন শাস্তিটুকু হয়।'
রিপোর্ট অনুযায়ী, ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। রাত ১০ টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে মধ্যমগ্রামে তাঁর গাড়ি থামিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন চন্দ্রনাথ এবং গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তাঁর বুকে ২টি গুলি লেগেছিল। সেগুলি হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয়। আর অপর গুলিটি তাঁর পেটের কাছে লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বুদ্ধদেবকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে ছোট যে গাড়িটি খুনে ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে। সেই গাড়িটির নম্বরটি ভুয়ো বলে জানা গিয়েছে। তবে এই গাড়ির আগের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এই গাড়ির চ্যাসিস নম্বর সব জায়গা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। এমনকী গাড়ির রেডিয়েটরের পাশে যে স্টিকার থাকে, তাও ঘষে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে পেশাদার খুনিরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। এই আবহে আজ সকালবেলাই মধ্যমগ্রামের ঘটনাস্থে পৌঁছে যান সিআইডির তদন্তকারীকারীরা।
{{/usCountry}}এদিকে ছোট যে গাড়িটি খুনে ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে। সেই গাড়িটির নম্বরটি ভুয়ো বলে জানা গিয়েছে। তবে এই গাড়ির আগের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এই গাড়ির চ্যাসিস নম্বর সব জায়গা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। এমনকী গাড়ির রেডিয়েটরের পাশে যে স্টিকার থাকে, তাও ঘষে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে পেশাদার খুনিরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। এই আবহে আজ সকালবেলাই মধ্যমগ্রামের ঘটনাস্থে পৌঁছে যান সিআইডির তদন্তকারীকারীরা।
{{/usCountry}}