...
...
Next Story

Chandranath Rath Killing: 'শাসকদের যাঁরা গরম গরম বক্তৃতা দিয়েছিল…', মমতার নাম নিয়ে বিস্ফোরক চন্দ্রনাথের মা

চন্দ্রনাথের মা বলেন, 'আমার মনে হয় এই ভোটের লড়াইয়ে ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম, চন্ডীপুর বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্বে ছিল চন্দ্রনাথ, যার জন্য ও টার্গেট ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে শুভেন্দুবাবু হারাতেই প্রতিশোধ নেওয়া হল বলে আমার মনে হয়।'

Published on: May 7, 2026, 12:57:55 IST
Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর প্রতিশোধ নিতেই চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করলেন তাঁর মা হাসি রথ। এদিকে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবি জানালেও তিনি জানান, দোষীদের মৃত্যুদণ্ড তিনি চান না। তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় এই ভোটের লড়াইয়ে ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম, চন্ডীপুর বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্বে ছিল চন্দ্রনাথ, যার জন্য ও টার্গেট ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে শুভেন্দুবাবু হারাতেই প্রতিশোধ নেওয়া হল বলে আমার মনে হয়।'

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর প্রতিশোধ নিতেই চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করলেন তাঁর মা হাসি রথ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর প্রতিশোধ নিতেই চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করলেন তাঁর মা হাসি রথ।

তৃণমূলকে তোপ দেগে চন্দ্রনাথের মা বলেন, 'আজ আমরা ক্ষমতায় আসার পর, যখন আমাদের নেতা বলছেন সুশৃঙ্খলভাবে থাকতে, তখন শাসকদের যাঁরা গরম গরম বক্তৃতা দিয়েছিল যে চার তারিখের পর কোনও বাপ রক্ষা করতে পারবে না, সেটাই করে দেখাল। আমি নতুন সরকারের কাছে আবেদন করব আমার ছেলের মৃত্যুর পিছনে যারা রয়েছে, তাদের যেন শাস্তিটুকু হয়।'

রিপোর্ট অনুযায়ী, ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। রাত ১০ টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে মধ্যমগ্রামে তাঁর গাড়ি থামিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন চন্দ্রনাথ এবং গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তাঁর বুকে ২টি গুলি লেগেছিল। সেগুলি হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয়। আর অপর গুলিটি তাঁর পেটের কাছে লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বুদ্ধদেবকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe