Chandranath Rath Murder Update: শুভেন্দু অধিকারীর এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট চন্দ্রনাথ রথের খুনের তদন্তে এবার ভিনরাজ্যে গেছেন বিশেষ তদন্তকারী দল। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে গিয়েছে সিটের তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িতে যে নম্বর রয়েছে, সেটি ভুয়ো। তবে আসল নম্বরের গাড়িটি উত্তরবঙ্গের এক ব্যক্তির। তিনি গাড়িটি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন ওএলএক্সে। উত্তরপ্রদেশ থেকে সেই গাড়ি কেনার জন্য ফোন এসেছিল সেই মালিকের কাছে। এই আবহে এর তদন্ত করতে গিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় স্থানীয় ৩ জন দুষ্কৃতীকে আটক করে জেরা করা হলেও কাউকেই এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। সীমান্ত এলাকার সব থানাকে সতর্ক করে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

রিপোর্টে দাবি করা হয়, এক থেকে দেড় মাস আগে থেকে এই খুনের ছক কষা হয়েছিল এবং এর জন্য সুপারি কিলার নিয়োগ করা হয়েছিল। এই আবহে চন্দ্রনাথের এই কয়েক মাসের মধ্যে কারও সঙ্গে বচসা হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে খুনের স্থান সংলগ্ন এলাকার কোথা থেকে, কার ফোন গিয়েছিল, মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকার মোবাইল টাওয়ার ধরে এই তথ্য পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার থেকে চেয়েছে পুলিশ।
এদিকে বারাসতের ১১ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে উদ্ধার করা হল চন্দ্রনাথ খুনে ব্যবহৃত দ্বিতীয় বাইকটি। এর আগে গত ৭ মে এয়ারপোর্ট আড়াই নং গেটের কাছে আবর্জনা ফেলার জায়গায় মেলে খুনে ব্যবহৃত প্রছম বাইকটি। বাইকে নম্বর প্লেটটি ভুয়ো বলে জানা যায়। এই বাইকের ইঞ্জিন নম্বর থেকে শুরু করে চ্যাসিস নম্বর মুখে ফেলা হয়। তা সত্ত্বেও পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, প্রথম বাইকটি দমদমের এক বাসিন্দার ছিল। প্রায় আড়াই মাস আগে সেই বাইকটি চুরি গিয়েছিল বলে জানান সেই মালিক। সেই চুরির বাইক ব্যবহার করেই চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়।
এদিকে চন্দ্রনাথ খুনে মোট ৭ থেকে ৮ জনের দল যুক্ত ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এই দলে ২ জন শার্প শুটার ছিল। এদিকে এই খুনে ব্যবহৃত গাড়ির সংখ্যা একটি নয় বরং ২টো। পুলিশ বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দেখতে পায়, চন্দ্রনাথের গাড়ির পিছনে একটি লাল রঙের গাড়ির সন্দেহজনক গতিবিধি ছিল। পুলিশ মনে করছে, সেই গাড়িতে করে খুনে যুক্ত কয়েকজন পালিয়ে যায়। পুলিশ মে করছে স্থানীয় দুষ্কৃতীদের থেকে সাহায্য নিয়েই পেশাদাররা এই খুনটি করে। এখনও পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত নিসান মাইক্রা গাড়িতে কোনও আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়নি।
{{/usCountry}}এদিকে চন্দ্রনাথ খুনে মোট ৭ থেকে ৮ জনের দল যুক্ত ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এই দলে ২ জন শার্প শুটার ছিল। এদিকে এই খুনে ব্যবহৃত গাড়ির সংখ্যা একটি নয় বরং ২টো। পুলিশ বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দেখতে পায়, চন্দ্রনাথের গাড়ির পিছনে একটি লাল রঙের গাড়ির সন্দেহজনক গতিবিধি ছিল। পুলিশ মনে করছে, সেই গাড়িতে করে খুনে যুক্ত কয়েকজন পালিয়ে যায়। পুলিশ মে করছে স্থানীয় দুষ্কৃতীদের থেকে সাহায্য নিয়েই পেশাদাররা এই খুনটি করে। এখনও পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত নিসান মাইক্রা গাড়িতে কোনও আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়নি।
{{/usCountry}}রিপোর্ট অনুযায়ী, ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। রাত ১০ টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে মধ্যমগ্রামে তাঁর গাড়ি থামিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন চন্দ্রনাথ এবং গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তাঁর বুকে ২টি গুলি লেগেছিল। সেগুলি হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয়। আর অপর গুলিটি তাঁর পেটের কাছে লাগে।
এদিকে ছোট যে গাড়িটি খুনে ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটিকে খুনের পরপরই বাজেয়াপ্ত করা হয় পুলিশের তরফে। সেই গাড়িটির নম্বরটি ভুয়ো বলে জানা যায়। তবে এই গাড়ির আগের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এই গাড়ির চ্যাসিস নম্বর সব জায়গা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। এমনকী গাড়ির রেডিয়েটরের পাশে যে স্টিকার থাকে, তাও ঘষে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে পেশাদার খুনিরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।