...
...
Next Story

Chicken's Neck NSR: দিল্লি NCR মডেলে শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে NSR গড়ে তোলা হতে পারে চিকেনস নেক এলাকায়

‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডরটি ভারতের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। মাত্র ২০-২৫ কিলোমিটার চওড়া এই করিডরই উত্তর-পূর্বের আটটি রাজ্যের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের একমাত্র স্থল যোগাযোগ রক্ষা করে। একদিকে নেপাল, অন্যদিকে বাংলাদেশ এবং কাছেই ভুটান ও চিনের সীমান্ত থাকায় এর কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

Updated on: May 26, 2026, 13:21:48 IST
Advertisement

উত্তরবঙ্গের ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডরকে ঘিরে কেন্দ্রের বড় কৌশলগত পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলছে। সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিলিগুড়িকে ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক রিজিওন’ হিসেবে গড়ে তোলার কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মূল লক্ষ্য, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথকে আরও নিরাপদ ও শক্তিশালী করা।

Siliguri is the only part of India that is physically linked to four different countries
Siliguri is the only part of India that is physically linked to four different countries

‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডরটি ভারতের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। মাত্র ২০-২৫ কিলোমিটার চওড়া এই করিডরই উত্তর-পূর্বের আটটি রাজ্যের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের একমাত্র স্থল যোগাযোগ রক্ষা করে। একদিকে নেপাল, অন্যদিকে বাংলাদেশ এবং কাছেই ভুটান ও চিনের সীমান্ত থাকায় এর কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দিল্লির এনসিআর মডেলের মতো শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে পাহাড় ও সমতল মিলিয়ে একটি বিশেষ পরিকল্পিত অঞ্চল গড়ে তোলা হতে পারে। সেখানে প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, পর্যটন এবং লজিস্টিক পরিকাঠামোকে এক ছাতার তলায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অঞ্চলের জন্য আলাদা ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক রিজিওন প্ল্যানিং বোর্ড’ গঠনের ভাবনাও চলছে বলে সূত্রের খবর।

এছাড়াও বাগডোগরা বিমানবন্দর, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন, এশিয়ান হাইওয়ে এবং বিকল্প পাহাড়ি রাস্তার আধুনিকীকরণের পরিকল্পনার কথাও উঠে এসেছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়কের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সংস্থা NHIDCL ও NHAI-এর হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার ‘চিকেনস নেক’ এলাকায় ভূগর্ভস্থ রেলপথ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ বা জরুরি পরিস্থিতিতে যাতে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়, সেই কারণেই এই ধরনের কৌশলগত পরিকাঠামো গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, শুধু সামরিক শক্তি বাড়ালেই হবে না, কর্মসংস্থান, পর্যটন, বাণিজ্য ও অসামরিক পরিকাঠামোর উন্নয়নও জরুরি। কারণ অর্থনৈতিক বঞ্চনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা কমাতে উন্নয়নই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe