...
...
Next Story

নজরে এসটি-এসসি-ওবিসি! ভোটের মুখে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য ৫টি নতুন পর্ষদ মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী এই বার্তা সামনে আসতেই, স্বাভাবিক ভাবে একাংশের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, ভোটের মুখে এই ঘোষণা, তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে সদর্থক প্রভেব ফেলবে বলেই মত অনেকের।

Published on: Mar 13, 2026, 21:25:46 IST
Advertisement

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বেশ তর্ক বিতর্ক হয়েই চলেছে, এখনও কাটেনি এসআইআর-এর জট। কিছুদিন আগে ধর্মতলায় এসআইআর-এর প্রতিবাদে টানা পাঁচ দিন ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য পাঁচটি নতুন ‘সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন পর্ষদ’ গঠনের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বোর্ড তাঁদের ভাষা, ঐতিহ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করবে।

মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা

পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য ৫টি নতুন পর্ষদ মুখ্যমন্ত্রীর (PTI File Photo)
পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য ৫টি নতুন পর্ষদ মুখ্যমন্ত্রীর (PTI File Photo)

শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ''আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, আমাদের সরকার শীঘ্রই মুন্ডা (এসটি), কোরা (এসটি), ডোম (এসসি), কুম্ভকার (ওবিসি) এবং সদগোপ (ওবিসি) সম্প্রদায়ের জন্য পাঁচটি নতুন সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে চায়। এই সম্প্রদায়গুলি বাংলার প্রাণবন্ত কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের সকলকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন।' পর্ষদগুলির ঠিক কী কাজ সেই বিষয়েও ব্যাখ্যা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, 'এই বোর্ডগুলি উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং চাকরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের অনন্য ভাষা এবং ঐতিহ্য রক্ষা করবে। তারা ঐতিহ্যবাহী অধিকার রক্ষা করবে এবং আরও আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি আনবে।'​ একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন ২০১৩ সাল থেকে এমন আরও অনেক পর্ষদ গঠন করা হয়েছিল।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, '২০১৩ সাল থেকে আমরা আমাদের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়গুলির সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অনুরূপ বহু পর্ষদ গঠন করেছি। মা, মাটি, মানুষ-এর প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের অর্থ হল-আমরা এই বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে, কোনও সম্প্রদায়ই যেন উন্নয়নের দৌড়ে পিছিয়ে না পড়ে। আমাদের লক্ষ্য অত্যন্ত সহজ ও সরল: অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রগতি এবং অবিচল সমর্থনের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe