State Government Employees: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সুখবর। বদলির কারণে কর্মস্থল পরিবর্তন হলে সরকারি কর্মীদের দেওয়া বদলি অনুদান ও মালপত্র গোছানোর ভাতা এবার একত্র করে নতুন অনুদান চালু করল রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের ১ জুন বা তার পরে জনস্বার্থে বদলি হয়ে নতুন পদে যোগ দেওয়া সরকারি কর্মীরা এই সুবিধা পাবেন। নয়া ব্যবস্থায় বদলির সময় এককালীন সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অথবা অথবা মূল বেতনের (Basic Pay)-এর ৮০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন সরকারি কর্মীরা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এই আর্থিক সুবিধা পেতে কোনও রসিদ বা খরচের নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ৩০ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্বে বদলি এবং বাসস্থান পরিবর্তন হলে মিলবে সম্পূর্ণ হারে অনুদান (Composite Grant)। ৩০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে বদলির ক্ষেত্রেও মিলবে সুবিধা, তবে সেক্ষেত্রে প্রাপ্য অনুদানের এক-তৃতীয়াংশ দেওয়া হবে। এছাড়াও কর্মী নিজের কোনও মালপত্র বহন করলে অনুদান পাওয়ার অধিকার থাকবে। ব্যক্তিগত মালপত্র পরিবহণের খরচ আলাদা ভাবে দাবি করেছেন কিনা, তা বিবেচ্য হবে না। কর্মী পরিবারকে সঙ্গে না নিয়ে গেলেও, নিজের মালপত্র সরিয়ে নিলে অনুদান পাওয়া যাবে। ব্যক্তিগত মালপত্রের পরিমাণ কত, তার উপর অনুদানের পরিমাণ নির্ভর করবে না।
কর্মরতদের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদেরও নয়া ব্যবস্থার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অবসরের পরও অন্যত্র স্থায়ীভাবে বসবাস করলে মিলবে আর্থিক সহায়তা। বদলির ক্ষেত্রে ১ জুন ২০২৬ এবং অবসরের ক্ষেত্রে ৩১ মে ২০২৬ থেকে কার্যকর হচ্ছে এই নয়া নিয়ম। রাজ্য মন্ত্রিসভায় নয়া ব্যবস্থায় অনুমোদন, সরকারি কর্মীদের বদলি ও অবসরের আর্থিক বোঝা কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে চলা সরকারি কর্মীদের কল্যাণ ও সুস্থতার বিষয়ে সবসময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, রাজ্য মন্ত্রিসভা কয়েক দশক পুরনো 'ট্রান্সফার গ্র্যান্ট এবং প্যাকিং অ্যালয়েন্স' ব্যবস্থার পরিবর্তে আরও সরল ও উন্নত ‘কম্পোজিট ট্রান্সফার অ্যান্ড প্যাকিং গ্র্যান্ট’ চালু করার অনুমোদন দিয়েছে।'
করা এই সুবিধা পাবেন সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, 'আর্থিক সুবিধা: রসিদ বা খরচের কোনও নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই এককালীন সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা অথবা বেসিক পে-এর ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে। বদলির ক্ষেত্রে সুবিধা: ৩০ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্বে বদলি এবং বাসস্থান পরিবর্তন হলে সম্পূর্ণ হারে অনুদান মিলবে। ৩০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে বদলি হলে প্রাপ্য অনুদানের এক-তৃতীয়াংশ দেওয়া হবে। অবসরের পর সহায়তা: অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা নতুন কোনও জায়গায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করলে তাঁরাও এই আর্থিক সুবিধার আওতায় আসবেন। কার্যকর হওয়ার তারিখ: বদলির ক্ষেত্রে ১ জুন ২০২৬ এবং অবসরের ক্ষেত্রে ৩১ মে ২০২৬ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।’
পুরনো নিয়মের বাকি অংশ বহাল
{{/usCountry}}করা এই সুবিধা পাবেন সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, 'আর্থিক সুবিধা: রসিদ বা খরচের কোনও নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই এককালীন সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা অথবা বেসিক পে-এর ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে। বদলির ক্ষেত্রে সুবিধা: ৩০ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্বে বদলি এবং বাসস্থান পরিবর্তন হলে সম্পূর্ণ হারে অনুদান মিলবে। ৩০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে বদলি হলে প্রাপ্য অনুদানের এক-তৃতীয়াংশ দেওয়া হবে। অবসরের পর সহায়তা: অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা নতুন কোনও জায়গায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করলে তাঁরাও এই আর্থিক সুবিধার আওতায় আসবেন। কার্যকর হওয়ার তারিখ: বদলির ক্ষেত্রে ১ জুন ২০২৬ এবং অবসরের ক্ষেত্রে ৩১ মে ২০২৬ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।’
পুরনো নিয়মের বাকি অংশ বহাল
{{/usCountry}}১৯৯৯ সালের ২৫ মে জারি করা অর্থ দফতরের নির্দেশিকার সংশ্লিষ্ট ধারার পরিবর্তে এই নতুন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। তবে ওই নির্দেশিকার অন্যান্য সব নিয়ম বা নির্দেশ অপরিবর্তিত থাকবে। প্রকাশত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ সার্ভিস রুলসের দ্বিতীয় অংশে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। উল্লেখ্য, রাজ্য মন্ত্রিসভা ২০২৬ সালের ১৯ অগস্টের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। ২০ অগস্ট তা সরকারিভাবে জানানো হয়েছে।