CM Suvendu Adhikari: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ তুলে নয়াদিল্লি থেকে শুরু করে একাধিক রাজ্যে ব্যাপক আন্দোলনে নেমে পড়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তাঁদের একটাই দাবি, অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। সেটা যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে তেরঙ্গা ওড়াও কর্মসূচি নিয়েছে সিজেপি। বিদেশি শক্তির অঙ্গুলিহেলনে এমন বিক্ষোভ বলেই মনে করছে বিজেপি। তবে তার আঁচ কোনওভাবেই পশ্চিমবঙ্গে পড়তে দেবেন না বলেই সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চমীতে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার মেচোগ্রাম সমাজশিক্ষা কেন্দ্র ও ব্যবসায়ী সমিতির দুর্গাপুজোর সূচনা করেন তিনি। এরপরই সেকথা বলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনারের বক্তব্য উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত এই রিপোর্ট ঘিরে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। ইন্ডিয়া জোটের নেতারাও সিজেপি-র মিছিলকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের গ্রেফতার করা হলে পাশে দাঁড়িয়েছেন। কারণ, তাঁদের দাবিও এক। এই পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশ কুমারকে আগেই তোপ দাগেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। পথে নেমে আন্দোলনেও শামিল হন তাঁরা। পুলিশি ধরপাকড়ের মুখোমুখিও হন। সে প্রসঙ্গেই এবার এদিন সরাসরি বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
দিল্লিতে বিক্ষোভ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আক্রমণের অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, 'অশান্তি তৈরির জন্য দেশে থেকে দেশকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা চলছে। দেশের মানুষ এগুলো মেনে নেবে না। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আক্রমণ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশকে আরও শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। তবে আমরা এই রাজ্যে কোনভাবে এসব করতে দেব না।' পাশাপাশি, পাঁশকুড়ার উন্নয়ন নিয়েও এদিন মুখ খোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'পাঁশকুড়া এলাকার উন্নয়ন থমকে থাকবে না। এলাকার বিধায়ক সিন্টু সেনাপতির হাত ধরে উন্নয়ন চলবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে অর্থ কোনও বাধা হবে না।'