CM Suvendu Adhikari: নারী সুরক্ষার প্রশ্নে কোনও রকম নমনীয়তা দেখানোর বার্তা না দিয়ে একেবারে কড়া অবস্থান নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কোচবিহারের মাটিতে পা রেখেই পকসো (POCSO) আইনের ক্ষেত্রে তাঁর সরকার যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাসী, তা স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন তিনি। পুলিশ প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, ছোট বাচ্চা হোক বা কোনও বোন-দিদি-মহিলা—কেউ যদি তাঁদের দিকে খারাপ নজরে আঙুল তোলেন, তবে সেই আঙুল ভেঙে দিতে হবে। এর জন্য পুলিশকে আইন অনুযায়ী যা করার, তাই করতে হবে।

মঙ্গলবার কোচবিহার সফর দিয়ে উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবার সরকারিভাবে কোচবিহারে গেলেন তিনি। অতীতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে কোচবিহার সফরে গিয়ে খাগড়াবাড়ি মোড়ে তাঁর কনভয়ে হামলা ও বুলেটপ্রুফ গাড়ি ভাঙচুরের স্মৃতিচারণ করে এদিন তিনি বলেন, 'আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি। ভগবান আছেন। আর আছে জনগণ।' কোচবিহারকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন কোচবিহারে পৌঁছেই প্রথমে ঐতিহাসিক মদনমোহন মন্দিরে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। মন্দির চত্বর থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মদনমোহন মন্দিরের সার্বিক উন্নয়নে পরিকল্পনার কোনও অভাব নেই এবং কাজের জন্য অর্থের কোনও খামতি হতে দেওয়া হবে না। তাঁর কথায়, ‘এখানে অনেক কাজ হবে। পরিকল্পনাও হয়েছে। আমি বলেছি, টাকার কোনও খামতি হবে না।’এরপর রবীন্দ্র ভবনে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে জাতীয় সড়ক (NH) সম্প্রসারণ, সীমান্ত সুরক্ষা, পুজোর আগে রাস্তাঘাট সারাই, পুরসভার সার্বিক পরিস্থিতি এবং বিমানবন্দর সংক্রান্ত নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নাইডু। সেই সময় কোচবিহার বিমানবন্দর চালু করা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়ে আগের জমানাকে নিশানা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন এতদিনেও সেখানে পর্যাপ্ত স্নায়ুরোগ (Neurology) ও হৃদ্রোগ (Cardiology) বিশেষজ্ঞ নেই। আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ দমন নিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে আরও অনেক বেশি সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, অসম থেকে যাতে কোনোভাবেই অবৈধভাবে কয়লা ও সুপারি এ রাজ্যে প্রবেশ করতে না পারে, তা পুলিশকে কঠোর হাতে দমন করতে হবে। পাশাপাশি, কোনও সুবিধাভোগীর (বেনিফিসারি) কাছ থেকে তোলাবাজি করলে সোজা জেলে যেতে হবে বলে হুংকার দেন তিনি। সীমান্ত এলাকায় গাজা বা আফিমের মতো বেআইনি মাদক চাষ অবিলম্বে নষ্ট করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নাইডু। সেই সময় কোচবিহার বিমানবন্দর চালু করা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়ে আগের জমানাকে নিশানা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন এতদিনেও সেখানে পর্যাপ্ত স্নায়ুরোগ (Neurology) ও হৃদ্রোগ (Cardiology) বিশেষজ্ঞ নেই। আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ দমন নিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে আরও অনেক বেশি সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, অসম থেকে যাতে কোনোভাবেই অবৈধভাবে কয়লা ও সুপারি এ রাজ্যে প্রবেশ করতে না পারে, তা পুলিশকে কঠোর হাতে দমন করতে হবে। পাশাপাশি, কোনও সুবিধাভোগীর (বেনিফিসারি) কাছ থেকে তোলাবাজি করলে সোজা জেলে যেতে হবে বলে হুংকার দেন তিনি। সীমান্ত এলাকায় গাজা বা আফিমের মতো বেআইনি মাদক চাষ অবিলম্বে নষ্ট করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}সম্প্রতি কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ থানা এলাকায় এক স্কুলছাত্রী নিগ্রহের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী নারী সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছোট বাচ্চা, বোন, দিদি, মহিলাদের উপর কেউ আঙুল তুললে, সেই আঙুল ভেঙে দিতে হবে। এর জন্য পুলিশকে যা করার করতে হবে।’ এছাড়া কামতাপুর রাজ্যের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজবংশীরা দু’হাত তুলে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের ভোটে আমরা জিতেছি। তাঁদের যা দাবি রয়েছে এবং যা অধিকার রয়েছে তা আলোচনা মাধ্যমেই ঠিক হবে।’ এমনকী রাজবংশী ভাষার অ্যাকাডেমির জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথাও এদিন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।