...
...
Next Story

Chorbagan Tragedy: চোরবাগানকাণ্ডে নয়া মোড়! ধৃতদের ভয়েস স্যাম্পল নিতে আদালতে আবেদন পুলিশের, বয়ান রেকর্ড...

Chorbagan Tragedy: এই মামলার তদন্তে গতি আনতে সাক্ষ্যপ্রমাণের পরিধিও অনেকটাই বাড়িয়েছে পুলিশ। চোরবাগান কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৬০ থেকে ৭০ জনের বয়ান রেকর্ড করেছেন তদন্তকারীরা। এই দীর্ঘ তালিকায় রয়েছেন সেদিনের ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজন ব্যক্তিও।

Published on: Oct 24, 2026, 19:16:24 IST
Advertisement

Chorbagan Tragedy: সপ্তমীর দিন চোরবাগানের (Chorbagan) মণ্ডপে ঘটা মর্মান্তিক বিপর্যয়ের তদন্তে নেমে এবার আরও একধাপ এগোল পুলিশ। দুর্ঘটনার সময়ে মাইকে ভুল নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে ধৃত সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টু এবং অপর ঘোষণাকারী কুশল মজুমদার ওরফে কালিয়া-র কণ্ঠস্বরের নমুনা বা 'ভয়েস স্যাম্পেল' সংগ্রহের জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন তদন্তকারীরা। পুলিশি সূত্রে খবর, অকুস্থলের উদ্ধার হওয়া একাধিক সিসিটিভি এবং ভিডিও ফুটেজের অডিও ট্র্যাকে ভেসে আসা আওয়াজের সঙ্গে এই দু’জনের গলা মিলিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ। আদালত থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি মিললেই ল্যাবরেটরিতে এই সমস্ত অডিও নথির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হবে।

চোরবাগানকাণ্ডে নয়া মোড়! ধৃতদের ভয়েস স্যাম্পল নিতে আদালতে আবেদন পুলিশের (HT_PRINT)
চোরবাগানকাণ্ডে নয়া মোড়! ধৃতদের ভয়েস স্যাম্পল নিতে আদালতে আবেদন পুলিশের (HT_PRINT)

সূত্রের খবর, ঘটনার গভীরতা খতিয়ে দেখতে গিয়ে পুলিশের হাতে বেশ কিছু বিস্ফোরক অনিয়ম ধরা পড়েছে। দেখা গিয়েছে, মণ্ডপের নিকাশি বা বেরোনোর পথে আইন বহির্ভূতভাবে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক স্টল বসানো হয়েছিল, যা মানুষের গতিপথ অবরুদ্ধ করে। কারা এই অনুমোদনহীন দোকান বসানোর ছাড়পত্র দিয়েছিল, তা নিয়ে পুলিশি অনুসন্ধান চলছে। পাশাপাশি, চোরবাগান সর্বজনীনের থিম সাজসজ্জার এমন গঠন ছিল যে বাইরের আওয়াজ ভেতরে পৌঁছানো শক্ত ছিল; ফলে দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে কেন মণ্ডপ ভেঙে পড়ার মতো বিভ্রান্তিকর বার্তা দেওয়া হল, তা সিসিটিভির সময়ের সূচির সঙ্গে মিলিয়ে লালবাজার নিশ্চিত হতে চাইছে। অন্যদিকে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না—এমন দাবি নস্যাৎ করে লালবাজার জানিয়েছে, ৫০ জন অস্থায়ী হোমগার্ড, সাধারণ পুলিশ, সিভিল ভলান্টিয়ার ও বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী সহ মোট প্রায় ১৫০ জন কর্মী তখন ডিউটিতে ছিলেন। এমনকী সাময়িক তদারকির জন্য একজন ইনস্পেক্টরের পাশাপাশি দু’জন আইপিএস পদমর্যাদার ডেপুটি কমিশনারকেও সেখানে পাঠানো হয়েছিল।

অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, চোরবাগান কাণ্ডের তদন্তে ধৃত দুই ঘোষককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। চোরবাগান সর্বজনীনের পুজোয় ঘোষণার মূল দায়িত্বে ছিলেন সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টু। প্রাথমিক তদন্ত এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে গত শনিবার সপ্তমীর সন্ধ্যায় মণ্ডপে বিপর্যয়ের আগে-পরে ঠিক কী ঘটেছিল, সে সময়ের ঘোষণা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এখনও কিছু প্রশ্নের উত্তর অধরা। বিশেষ করে কার নির্দেশে ‘মণ্ডপ ভেঙে পড়ছে’ বলে ঘোষণা করা হয়েছিল, কোন সময়ে তা ঘোষণা করা হয়েছিল, সে সব বিষয়ে আরও স্পষ্ট হতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনার তদন্তে নেমে ঘোষণা সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য ইতিমধ্যে পুলিশের হাতে এসেছে। এবার সেই তথ্যের অন্য তথ্যগুলি মিলিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। বিশেষ করে যে সময়ে ঘোষণাটি হয়েছিল এবং যে সময়ে বিপর্যয়টি হয়, সেই সব ঘটনাক্রম মিলিয়ে দেখতে চায় পুলিশ। সূত্রের খবর, সেই কারণে ধৃত দুই ঘোষক সেন্টু এবং কালিয়াকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা দরকার বলে মনে করছেন তাঁরা। এদিকে, শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালত ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কালিয়ার পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks