চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজো মণ্ডপে ভিড়ের অতিরিক্ত চাপে তৈরি হওয়া পদপিষ্টের ঘটনায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জনের, খবর সূত্রের। আহত একাধিক দর্শনার্থী এখন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর। এই অনভিপ্রেত ঘটনার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং চিকিৎসাধীন আহতদের স্বাস্থ্যসংবাদ নিতে শুক্রবার রাতে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে আহতদের দেখতে হাসপাতালে পৌঁছেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

হাসপাতালে উচ্চপর্যায়ের তৎপরতা ও সুচিকিৎসার আশ্বাস:
হাসপাতালে পৌঁছে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, আহত দর্শনার্থীদের চিকিৎসার কোনো গাফিলতি রাখা হচ্ছে না। তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের শরীর আরও ভালো ও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে অন্যত্র কোনো সুপার স্পেশালিটি বা বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত (Shift) করা প্রয়োজন কি না, তা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পর্যালোচনা করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গাঢাকা দিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা!
এত বড় বিশৃঙ্খলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যাওয়া সত্ত্বেও চোরবাগান সর্বজনীন পুজো কমিটির কোনো কর্তাকে বা উদ্যোক্তাকে হাসপাতালে দেখা যায়নি। দুর্ঘটনার পর থেকেই পুজো উদ্যোক্তাদের এই অনুপস্থিতি এবং গাঢাকা দেওয়া নিয়ে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষ ও আহতদের পরিজনদের মধ্যে।
কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?
ঠিক কী কারণে এবং কীভাবে মণ্ডপের প্রবেশপথে এমন মারাত্মক ভিড়ের চাপ ও হুড়োহুড়ি তৈরি হলো, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।