হরিশ মুখার্জি রোডের ১৮৮এ ঠিকানায় অবস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সিআইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের নথিতে জাল সই কাণ্ডে তদন্তে এই অভিযান। এই আবহে শান্তিনিকেতনে গেলেও সিআইডি কর্তাদের জানানো হয়, অভিষেক বাড়িতে নেই।

উল্লেখ্য, আজ তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে বের হওয়ার কথা ছিল অভিষেকের। এই আবহে শান্তিনিকেতনের থেকে একজন বেরিয়ে এসে সিআইডি আধিকারিকদের বলেন, অভিষেক বাড়িতে নেই। তবে অভিষেক কখন কোথায় গিয়েছেন, তা নিয়ে বলতে পারেননি সেই ব্যক্তি। সিআইডি আধিকারিকরা সেই ব্যক্তির নাম-ঠিকানা লিখে নেন। সিআইডি অফিসাররা শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন নোটিশ সার্ভ করতে।
বালিগঞ্জের প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের নেতা করা হলেও বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার মর্যাদা তাঁকে দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করার পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিধানসভার সচিবালয়ে যে চিঠি পাঠানো হয়, তাতে সই ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, পরিষদীয় দল সংক্রান্ত যেকোনো চিঠি বা দাবি জানানোর এক্তিয়ার শুধুমাত্র সেই দলের বিধায়কদেরই রয়েছে। বিধানসভার সচিবালয়ের যুক্তি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার সাংসদ, বিধানসভার সদস্য নন।
এদিকে বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের পর রাজনৈতিক মহলে যখন তৃণমূলকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে, সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমবার ময়দানে নামতে চলেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করতেই তিনি মাঠে নামছেন। উল্লেখ্য, এর আগে তাঁরই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নিবাচনে পর্যন্ত প্রচার করতে যাননি তিনি। এই আবহে সেই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে 'পিছু হটেন'। এই আবহে তৃণমূল চতুর্থ স্থানে নেমে যায় ফলতায়। প্রথমে কলকাতার বেলেঘাটা এলাকায় যাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর।
এর আগে তৃণমূলের বহু বিদ্রোহী নেতা সরাসরি অভিষেকের দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন, ভোটের আগে অভিষেক যে ভাষায় বিরোধীদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন, তা তাঁর করা ঠিক হয়নি। 'ডিজে বাজাব', 'ফলতায় বৈদ্যুতিক চুল্লি করে দেব'-র মত মন্তব্যের জেরে অভিষেকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এফআইআর হয়েছে। আবার তাঁর বাসভবনের বেআইনি অংশ ভাঙতে পুরসভা থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে বেশ চাপে আছেন অভিষেক। এই আবহে নিজেকে কার্যত গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। নিজের বাড়ি থেকে শুধুমাত্র মমতার কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
{{/usCountry}}এর আগে তৃণমূলের বহু বিদ্রোহী নেতা সরাসরি অভিষেকের দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন, ভোটের আগে অভিষেক যে ভাষায় বিরোধীদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন, তা তাঁর করা ঠিক হয়নি। 'ডিজে বাজাব', 'ফলতায় বৈদ্যুতিক চুল্লি করে দেব'-র মত মন্তব্যের জেরে অভিষেকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এফআইআর হয়েছে। আবার তাঁর বাসভবনের বেআইনি অংশ ভাঙতে পুরসভা থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে বেশ চাপে আছেন অভিষেক। এই আবহে নিজেকে কার্যত গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। নিজের বাড়ি থেকে শুধুমাত্র মমতার কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
{{/usCountry}}