...
...
Next Story

CII Annual Meeting: তিন 'V'-তেই সাফল্য, বার্তা কলকাতার শিল্পপতিদের, আলোচনায় 'সফট পাওয়ারও'

দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে গেলে কেবল ব্যবসাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। কলকাতায় আয়োজিত কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি পূর্বঞ্চলীয় বার্ষিক সম্মেলনে শিল্প জগতের মহারথীরা এই বার্তাই দিলেন।

Published on: Mar 29, 2026, 21:31:39 IST
Advertisement

দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে গেলে কেবল ব্যবসাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। কলকাতায় আয়োজিত কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি পূর্বঞ্চলীয় বার্ষিক সম্মেলনে শিল্প জগতের মহারথীরা এই বার্তাই দিলেন। 'বিল্ডিং এম্পায়ারস দ্যাট লাস্ট' থেকে শুরু করে স্টার্টআপ কালচার—সবক্ষেত্রেই উঠে এল উদ্ভাবনের কথা।

​স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ার মূলমন্ত্র

​সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বলেন, ‘দক্ষতা ছাড়া প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা অসম্ভব। আর এই দক্ষতা আসে শক্তিশালী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। স্টেকহোল্ডারদের আত্মবিশ্বাস অর্জন করাই যে কোনও ব্যবসার ভিত্তি।’ তাঁর মতে, গুণমান এবং দক্ষতা—এই দুই স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়েই বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব।

​অ্যাপোলো হসপিটালস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের প্রোমোটার ডিরেক্টর শোভনা কামিনেনি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে না চললে স্থবিরতা চলে আসে। টায়ার-২ শহরগুলোতে উন্নত হাসপাতালের প্রসার প্রমাণ করে ভারত কতটা বড় আকারে বিকশিত হচ্ছে।’

​ভিশন, ভ্যালু এবং ভাইটালিটি

​আইটিসি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জীব পুরি ‘তিনটি V’ (Vision, Value, Vitality)-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উদ্ধৃতি টেনে বলেন, ‘সংস্কৃতিই কৌশলের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ)। ’ টাটা কেমিক্যালসsর এমডি আর. মুকুন্দনের মতে, নেতৃত্ব মানেই হল বিশ্বাস অর্জন করা, যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না।

​স্টার্টআপ ও প্রযুক্তির জয়গান

​সম্মেলনের শেষ ভাগে বিনোদন ও খেলার দুনিয়ায় ভারতের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। বলিউড অভিনেত্রী হুমা কুরেশি বলেন, 'নিজের অন্তরের কথা শোনা এবং সৃজনশীলতায় বৈচিত্র্য আনাই হলো আসল সফট পাওয়ার।' অন্যদিকে, ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব টম মুডি আইপিএলের উদাহরণ টেনে বলেন, ভারতের প্রতিভা এবং সংস্কৃতিই দেশটিকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য করে তুলেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe