দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে গেলে কেবল ব্যবসাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। কলকাতায় আয়োজিত কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি পূর্বঞ্চলীয় বার্ষিক সম্মেলনে শিল্প জগতের মহারথীরা এই বার্তাই দিলেন। 'বিল্ডিং এম্পায়ারস দ্যাট লাস্ট' থেকে শুরু করে স্টার্টআপ কালচার—সবক্ষেত্রেই উঠে এল উদ্ভাবনের কথা।
স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ার মূলমন্ত্র
সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বলেন, ‘দক্ষতা ছাড়া প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা অসম্ভব। আর এই দক্ষতা আসে শক্তিশালী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। স্টেকহোল্ডারদের আত্মবিশ্বাস অর্জন করাই যে কোনও ব্যবসার ভিত্তি।’ তাঁর মতে, গুণমান এবং দক্ষতা—এই দুই স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়েই বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব।
অ্যাপোলো হসপিটালস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের প্রোমোটার ডিরেক্টর শোভনা কামিনেনি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে না চললে স্থবিরতা চলে আসে। টায়ার-২ শহরগুলোতে উন্নত হাসপাতালের প্রসার প্রমাণ করে ভারত কতটা বড় আকারে বিকশিত হচ্ছে।’
ভিশন, ভ্যালু এবং ভাইটালিটি
আইটিসি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জীব পুরি ‘তিনটি V’ (Vision, Value, Vitality)-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উদ্ধৃতি টেনে বলেন, ‘সংস্কৃতিই কৌশলের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ)। ’ টাটা কেমিক্যালসsর এমডি আর. মুকুন্দনের মতে, নেতৃত্ব মানেই হল বিশ্বাস অর্জন করা, যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না।
স্টার্টআপ ও প্রযুক্তির জয়গান
নতুন যুগের ব্যবসা বা স্টার্টআপগুলো কীভাবে দ্রুত বড় হচ্ছে, তা নিয়ে ছিল বিশেষ আলোচনা। টেগা ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি মেহুল মোহানকা জানান, প্রথাগত যোগাযোগের চেয়ে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন কথোপকথনই সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়ায়। সিআইআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের জেলা ও রাজ্য স্তরে গবেষণার উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সাধারণ কোম্পানিগুলোও অসাধারণ কিছু করে দেখানোর ক্ষমতা রাখে।
বিনোদন ও ক্রীড়া জগতে ভারতের ‘সফট পাওয়ার’
{{/usCountry}}নতুন যুগের ব্যবসা বা স্টার্টআপগুলো কীভাবে দ্রুত বড় হচ্ছে, তা নিয়ে ছিল বিশেষ আলোচনা। টেগা ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি মেহুল মোহানকা জানান, প্রথাগত যোগাযোগের চেয়ে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন কথোপকথনই সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়ায়। সিআইআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের জেলা ও রাজ্য স্তরে গবেষণার উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সাধারণ কোম্পানিগুলোও অসাধারণ কিছু করে দেখানোর ক্ষমতা রাখে।
বিনোদন ও ক্রীড়া জগতে ভারতের ‘সফট পাওয়ার’
{{/usCountry}}সম্মেলনের শেষ ভাগে বিনোদন ও খেলার দুনিয়ায় ভারতের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। বলিউড অভিনেত্রী হুমা কুরেশি বলেন, 'নিজের অন্তরের কথা শোনা এবং সৃজনশীলতায় বৈচিত্র্য আনাই হলো আসল সফট পাওয়ার।' অন্যদিকে, ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব টম মুডি আইপিএলের উদাহরণ টেনে বলেন, ভারতের প্রতিভা এবং সংস্কৃতিই দেশটিকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য করে তুলেছে।