Aditi Munshi: তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে থানায় দায়ের হল অভিযোগ। প্রচার পর্ব শেষ হয়েছে। আগামিকাল অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। আর তার আগে মনোনয়নের হলফনামায় ভুয়ো তথ্য দেওয়ার অভিযোগে অদিতির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপির প্রার্থী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। বাগুইহাটি থানায় এই অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে অদিতির পাশাপাশি অভিযুক্ত তাঁর স্বামী তথা তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীও।

তরুণজ্যোতি তিওয়ারির অভিযোগ, অদিতি মুন্সির তাঁর মনোনয়নপত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত সম্পূর্ণ তথ্য দেননি। তাঁর দাবি, অদিতি ও তাঁর স্বামী দেবরাজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রচুর জমি কিনেছিলেন। সেই জমির বিক্রয়মূল্য উল্লেখ করা হয়নি মনোনয়নপত্রের কোথাও। এই নিয়ে বিজেপি প্রার্থী বলেন, 'চোর ধরা পড়েছে, একজন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে দায়িত্ব পুলিশের কাছে খবর দেওয়া, আয়কর দফতরের কাছে খবর দেওয়া, কিংবা সিবিআই-ইডিকে জানানো। চোরের খবর দিতেই পুলিশের কাছে আসা।'
এদিকে সম্প্রতি ফেসবুক পোস্টে দেবরাজ এবং অদিতিকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে তরুণজ্যোতি লিখেছিলেন, 'একদিকে নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির বিবরণ, অন্যদিকে বাস্তব রেজিস্ট্রি রেকর্ড—দুটো কি এক জিনিস বলছে? সরকারি banglarbhumi এবং wbregistration পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, জগদীশপুর মৌজায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও, সেই সম্পত্তির উল্লেখ মনোনয়নপত্রে নেই—এটা কি শুধুই “ভুল”, নাকি ইচ্ছাকৃত গোপনীয়তা? নির্বাচন ঘোষণার ঠিক আগে—২৫.০৩.২০২৬ তারিখে—একসাথে একাধিক বড় সম্পত্তি বিক্রি, হস্তান্তর ও উপহার দেওয়া হল কেন? কালিম্পং-এর বিশাল জমি, রাজারহাটের জমি—সব একদিনেই বিক্রি বা ট্রান্সফার! এটা কি কাকতালীয়, নাকি পরিকল্পিত? '
এরপর বিজেপি নেতা আরও লেখেন, 'যাদের কাছে এই সম্পত্তিগুলো বিক্রি হল—তারা কারা? মানষ পাত্র, মানবী পাত্র কে? তাদের সাথে অদিতি দেবীর সম্পর্ক কী? পুরোটা লেখার জন্য আমি কোন পাবলিশার খুঁজলে "কথা ও কাহিনী" কে বেছে নিতাম। যদি সত্যিই বিক্রি হয়ে থাকে—তাহলে সেই টাকার হিসাব কোথায়? ব্যাংক ব্যালান্স, ইনভেস্টমেন্ট, বা হলফনামায় তার প্রতিফলন কেন দেখা যাচ্ছে না? সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা এখানেই- যে আয় দেখানো হয়েছে, সেই আয়ের সাথে এই বিপুল সম্পত্তি কেনা-বেচার কোনো মিল আছে কি? কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি—কিন্তু ঘোষিত আয় ও সম্পদের হিসাব তার কাছে খুবই সীমিত—এটা কীভাবে সম্ভব?'
{{/usCountry}}এরপর বিজেপি নেতা আরও লেখেন, 'যাদের কাছে এই সম্পত্তিগুলো বিক্রি হল—তারা কারা? মানষ পাত্র, মানবী পাত্র কে? তাদের সাথে অদিতি দেবীর সম্পর্ক কী? পুরোটা লেখার জন্য আমি কোন পাবলিশার খুঁজলে "কথা ও কাহিনী" কে বেছে নিতাম। যদি সত্যিই বিক্রি হয়ে থাকে—তাহলে সেই টাকার হিসাব কোথায়? ব্যাংক ব্যালান্স, ইনভেস্টমেন্ট, বা হলফনামায় তার প্রতিফলন কেন দেখা যাচ্ছে না? সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা এখানেই- যে আয় দেখানো হয়েছে, সেই আয়ের সাথে এই বিপুল সম্পত্তি কেনা-বেচার কোনো মিল আছে কি? কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি—কিন্তু ঘোষিত আয় ও সম্পদের হিসাব তার কাছে খুবই সীমিত—এটা কীভাবে সম্ভব?'
{{/usCountry}}এরই সঙ্গে অদিতির প্রার্থীপদ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তরুণজ্যোতি। তিনি লেখেন, 'আইন পরিষ্কারভাবে বলে- যদি কোনো প্রার্থী তার সম্পত্তির তথ্য গোপন করেন বা ভুল তথ্য দেন, তাহলে তা Representation of the People Act, 1951 এর Section 125A অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়াও মিথ্যা হলফনামা দেওয়া Bharatiya Nyaya Sanhita (BNS) অনুযায়ী অপরাধ।'