TMC councillor Ananya Banerjee: তৃণমূলের অনন্যার অফিসে মিলল ‘কন্ডোম, ম্যাসাজ মেশিন, চাকরির চার্ট! আছে মেকআপ রুম’
TMC councillor Ananya Banerjee: কলকাতা পুরনিগমের ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওয়ার্ড অফিসে বিক্ষোভ দেখানো হল। অভিযোগ উঠেছে যে কন্ডোম, ম্যাসাজ মেশিন, চাকরির চার্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
TMC councillor Ananya Banerjee: ওয়ার্ড অফিস নাকি ফূর্তি-ঘর? কলকাতা পুরনিগমের ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় দেখে এমনই প্রশ্ন তুলতে শুরু করলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। আজ মুকুন্দপুরে তাঁর ওয়ার্ড অফিসে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরে সেখানে ঢুকে পড়েন অনেকে। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগ উঠেছে যে ওয়ার্ড অফিসের মধ্যে আছে মেক-আপ রুম। উদ্ধার হয়েছে কন্ডোম ও ম্যাসাজ মেশিন। প্রোমাটারদের রেটচার্ট থেকে কাকে কাকে চাকরি দেওয়া হবে, সেই তালিকাও উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও অনন্যার দাবি, ওয়ার্ড অফিসে তো ‘অফিসিয়াল’ জিনিসপত্র থাকবেই।

‘অফিসিয়াল জিনিসপত্র’ তো থাকবেই, দাবি অনন্যার
ওই সংবাদমাধ্যমে ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা দাবি করেছেন, ওটা তো অফিস। ওখানে অফিসিয়াল জিনিসপত্র এবং ফাইল-পত্তর থাকবেই। বর্ষাকাল এসে যাওয়ায় ওয়ার্ড অফিসে মজুত থাকবেই ত্রাণ সামগ্রী। কয়েকদিন আগেই ইদ থাকায় জামাকাপড় থাকবেই বলে দাবি করেছেন অনন্যা।
আর অনন্যা যখন সেই মন্তব্য করেছেন, তখন তিনি কলকাতা পুরনিগমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অনুষ্ঠানে ছিলেন। আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতা পুরনিগমের তরফে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ অভিযানের সূচনা করা হয়। যে অনুষ্ঠানে হাজির আছে মুখ্যমন্ত্রী, পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়-সহ একগুচ্ছ তৃণমূল কাউন্সিলর।
ম্যাসাজ মেশিন থেকে কন্ডোম- ফূর্তি-ঘরের সন্ধান!
তারইমধ্যে অনন্যার ওয়ার্ড অফিস থেকেই ‘অফিসিয়াল’ জিনিসের সঙ্গে গর্ভনিরোধক, ম্যাসাজ মেশিন উদ্ধারের অভিযোগ উঠেছে। যাঁরা ওয়ার্ড অফিসের ভিতরে ঢুকেছেন, তাঁরা ডায়েরি-খাতা দেখিয়ে দাবি করেছেন, প্রোমোটারদের রেটচার্ট রয়েছে। কোন প্রোমোটার কত টাকা দিতেন, সেটা লেখা আছে। আবার কাকে কাকে চাকরি দেওয়া হবে, সেটাও লেখা আছে ডায়েরি-খাতায়। খাট, গর্ভনিরোধক, মেকআপ রুমও মিলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি, কটাক্ষ বিজেপির
বিজেপির অভিযোগ, এটাই তৃণমূলের পরম্পরা এবং সংস্কৃতি। মানুষকে কীভাবে লুট করা হয়েছে, তা এই বৈভব থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের ছোটো-বড়-মাঝারি নেতা-নেত্রীদের অফিস, বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে ত্রাণসামগ্রী, টাকা, গর্ভনিরোধক।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


