Madan in Municipal Recruitment Scam: 'পুরসভায় ১২৫ অযোগ্যকে চাকরি, ঘুষ নিতেন সোনা ও টাকা', মদনের নামে কী অভিযোগ ED-র?
Madan in Municipal Recruitment Scam: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তল্লাশি চালাচ্ছে কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক জায়গায়। তাঁর দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাট, জোকার পুরনো ফ্ল্যাট, ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
Madan in Municipal Recruitment Scam: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিযোগ উঠেছে যে কামারহাটি পুরসভা-সহ বিভিন্ন পুরসভায় অযোগ্য প্রার্থীদের বিভিন্ন পদে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন মদন। সেজন্য ঘুষ হিসেবে 'মিডলম্যান'-র মাধ্যমে সোনা ও নগদ টাকাও নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ইডির আধিকারিকদের দাবি, এরকম কমপক্ষে ১২৫টি বেআইনি নিয়োগের সঙ্গে কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কের 'লিঙ্ক' পাওয় গিয়েছে। সেই রেশ ধরেই মদনের সাতটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যে তালিকায় দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাট, জোকার পুরনো ফ্ল্যাট, ভবানীপুরের ফ্ল্যাটও আছে।

'সেতু' ছিলেন মিডলম্যানরা, নিতেন ঘুষ, মনে করছে ইডি
ইডির আশঙ্কা, পুর নিয়োগ দুর্নীতির আকার মারাত্মক ছিল। ঘুষ নিয়ে প্রচুর অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হত। সেই রেশ ধরে কেন্দ্রীয় সংস্থা প্রাথমিকভাবে যে তদন্ত চালিয়েছে, তাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে যে অযোগ্যদের চাকরি দিতে 'মিডলম্যান'-দের মাধ্যমে সোনাদানা দেওয়া-নেওয়া হত। ওই 'মিডলম্যান'-রাই পুরো ঘুষের বিষয়টি দেখতেন। চাকরিপ্রার্থী ও আধিকারিকদের মধ্যে 'সেতু' হিসেবে কাজ করছেন।
কত ভয়াবহ ছিল পুর নিয়োগ দুর্নীতি? তথ্যপ্রমাণ খুঁজছে ED
সেই পরিস্থিতিতে মদনের ফ্ল্যাট-সহ বিভিন্ন জায়গায় যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, সেখান থেকে তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করছে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর, ওই তল্লাশি অভিযানের সময় যে তথ্যপ্রমাণ, আর্থিক লেনদেনের নথি বা ডিজিটাল ডেটা পাওয়া যাবে, তা থেকে 'টাকার চেন' চিহ্নিত করার কাজটা সহজ হবে। সেইসঙ্গে ওই দুর্নীতিতে কারা কারা যুক্ত আছেন, তা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রেও আজকের তল্লাশি অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা।
পুরো বিষয়টি নিয়ে আপাতত মদন কোনও মন্তব্য করেননি। মুখ খোলা হয়নি তৃণমূলের তরফে। তবে তৃণমূল সমর্থক নয়নিকা রায় দাবি করেছেন, ‘ইডি, সিবিআই. সিআইডি - এই তদন্তকারী সংস্থাগুলো শুধু তাঁদের বাড়ির সার্চ করছে, যাঁরা এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন। তাঁদের বাড়ি করছে না, যাঁরা তৃণমূলের হয়ে জিতে সংসদ হয়েছেন এবং পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। তাঁদের বাড়ি করছে না, যাঁরা তৃণমূলের হয়ে জিতেছেন এবং পরে বালিশ চাটা তৃণমূল হয়েছেন। অর্থাৎ হেনস্থা করাই তাদের কাজ।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


