TCS Kolkata Oracle AI Data Lab: পুরো ভারতের কোথাও নেই, কলকাতায় সেই AI ল্যাব খুলল TCS! হাত মেলালে ওরাকেলের সঙ্গে
TCS Kolkata Oracle AI Data Lab: পুরো ভারতে নেই, কলকাতায় সেই ল্যাব খুলল টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস)। ভারতের প্রথম ওরাকেল AI ডেটা ল্যাব সল্টলেক সেক্টর ফাইভে খোলা হয়েছে বলে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।
TCS Kolkata Oracle AI Data Lab: ভারতের প্রথম ওরাকেল AI ডেটা ল্যাব কলকাতায় খুলল টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস)। সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সেই ‘ওরাকেল AI ডেটা প্ল্যাটফর্ম ল্যাব অ্যান্ড সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ চালু করা হয়েছে। তার ফলে বিভিন্ন সংস্থা আরও দ্রুততার সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI বা আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স) ও ডেটা-নির্ভর সংস্কারের পথে হাঁটতে পারবে। টিসিএসের তরফে দাবি করা হয়েছে, সেই ডেটা প্ল্যাটফর্মের ফলে বিভিন্ন সমস্যার মোকাবিলা করতে পারবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।
কলকাতার পরে দেশের অন্যত্র নজর TCS-র
কলকাতায় প্রথম ‘ওরাকেল AI ডেটা প্ল্যাটফর্ম ল্যাব অ্যান্ড সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ খোলার পর এখানেই থেমে থাকছে না টিসিএস। ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে ভারতের আরও চারটি প্রধান শহরে এই ধরনের ওরাকেলের ল্যাব তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার ফলে গোটা দেশে এআই প্রযুক্তির পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে দাবি করা হয়েছে টিসিএসের তরফে।
সেই ল্যাবের ফলে কী কী লাভ হবে?
পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সল্টলেকে যে ল্যাব তৈরি করা হয়েছে, তা ওরাকল এআই ডেটা প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগাবে। যা ওরাকেল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ওরাকেল অটোনমাস এআই ডেটাবেস এবং ওরাকেল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের শক্তিশালী সংমিশ্রণ। সেই মেলবন্ধনের ফলে যে কোনও সংস্থার ডেটাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপযোগী করে তোলা সম্ভব হবে। সেটার সুবাদে বৃহাদাকারে এআই-চালিত অ্যাপ্লিকেশন এবং অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করা যাবে।
সাধারণ ধারণা থেকে বড় কিছু তৈরি- সবটাই হবে কলকাতায়
বিষয়টি নিয়ে টিসিএসের ওরাকেল প্র্যাকটিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং গ্লোবাল হেড সুদীপ্ত রায় বলেছেন, 'নতুন এই ল্যাব এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে কোনও আইডিয়া বা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সবশেষে তার পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ- পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।'
আবার ওরাকেল ইন্ডিয়ার অ্যালায়েন্সেস অ্যান্ড চ্যানেল টেকনোলজির প্রধান অরবিন্দ মেহরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘এই যৌথ প্রয়াসের গ্রাহকদের হাতে থাকা ডেটাকে এআই-চালিত ইনসাইটস এবং ইন্টেলিজেন্ট অটোমেশনের মাধ্যমে বাস্তব ব্যবসায়িক সাফল্যে রূপান্তর করতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


