Physical assault Case: নয় বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ সাকিবকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল কাকদ্বীপ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছ’মাস কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কাকদ্বীপের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা (পকসো) আদালতের বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। আইনজীবী দেবাশিস মিদ্দা জানিয়েছেন, ঘটনাটি ২০২২ সালের ৩ মার্চ রাতের। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সাগর বিধানসভা এলাকার ওই নাবালিকা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। অভিযোগ, সেই সময় সাইকেলে করে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত শেখ সাকিব নাবালিকাকে দাদুর বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। এরপর শিশুটিকে পাশের একটি পান বরজে নিয়ে গিয়ে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। নাবালিকা চিৎকার করার চেষ্টা করলে তার মুখ চেপে ধরা হয়। এমনকী ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় অভিযুক্ত।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নাবালিকাকে উদ্ধার করে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৪ মার্চ নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে সাগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে দ্রুত চার্জশিট পেশ করে। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন পেশ করা তথ্যপ্রমাণ ও সাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে আদালত শেখ সাকিবকে দোষী সাব্যস্ত করে। আদালতের এই কঠোর রায়ে ন্যায়বিচার পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নির্যাতিতার পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। যদিও অভিযুক্তের পক্ষ থাকা কিছু জানানো হয়নি।