Buddhadeb Bhattacharya: রাজনীতির অমোঘ নিয়মে ক্ষমতায় থাকা এবং ক্ষমতা হারানো-দুটোই অতি স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু ক্ষমতার শীর্ষ ছুঁয়েও এক নিঃসঙ্গ চিলেকোঠায় ফিরে আসা, আর আদ্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপনে নিজের আদর্শকে আগলে রাখা নেতার সংখ্যা আধুনিক ইতিহাসে বিরল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharya) ছিলেন সেই বিরল ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্বদের একজন। শনিবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর স্মরণসভায় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Md Salim) বলেন, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সিপিএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ছিলেন দূরদর্শী ও ভবিষ্যৎদ্রষ্টা। তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় তিনি বারবারই প্রশ্ন তুলতেন, কেন পরিবর্তন? কীসের পরিবর্তন? এই পরিবর্তনের ফলে রাজ্যের কী লাভ হল? সেই সঙ্গে সতর্ক করতেন, রাজ্যে একটা 'আপদে'র সরকার চলছে। এদের বিদায়ের পর বিপদ অপেক্ষা করছে। সেই বিপদ সবাই প্রত্যক্ষ করেছে। যা বুদ্ধবাবু দেখে যেতে পারেননি, তা এখন সকলে দেখতে পাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নকে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার ঘোষণাও করেন তিনি। মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘ভার্চুয়াল সেন্টার হিসেবে আজ উদ্বোধন হচ্ছে। বর্ষার পর থেকে কেন্দ্রটির কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ওয়েবসাইটে বুদ্ধদার কবিতা, গান, লেখা, ভাবনা-চিন্তা সংগ্রহ করে দেওয়া হবে। সাংস্কৃতিক-শৈল্পিক উপস্থাপনা করা হবে। তরুণ উত্সাহীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। মূল কেন্দ্রে আর্ট অডিটোরিয়াম, ডিজিটাল নলেজ লাইব্রেরি, বুক শপ, রিডিং রুম, কাফে, ইতিহাসের সংগ্রহশালা, সেমিনার রুম, কনফারেন্স রুম, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে আধুনিক আর্ট গ্যালারি করার ইচ্ছা রয়েছে।’
স্মরণ সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, পদলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক ও মন্ত্রী সূর্যকান্ত মিশ্র, শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সৃজন ভট্টাচার্য প্রমুখ। সেখানে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, 'পার্টি ও সরকারের কাজে বহুবার বুদ্ধবাবুর সঙ্গে যাত্রা করার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখনই উপলব্ধি করেছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর জ্ঞান। এমনকী, তিনি যে গানও গাইতে পারেন, একবার তা শোনার অভিজ্ঞতাও হয়েছিল।' তিনি জানিয়েছেন, বুদ্ধবাবুকে স্মরণ করতে গেলে বহুবিধ বিষয়ে আলোচনা করতে হয়। তারই রেশ ধরে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি সতর্কবার্তা দিতেন। এখন সেই সতর্কবার্তাই মিলে যাচ্ছে। তাই বুদ্ধবাবুর কাজকর্ম, সাংস্কৃতিক চর্চা-সহ তাঁর জীবনের বহুবিধ দিক তুলে ধরতে ওয়েবসাইটে একটি পেজ তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্যোতি বসু গবেষণা কেন্দ্রের মতো বুদ্ধবাবুর নামেও একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। তবে নামকরণের জন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হবে। এ ছাড়াও বুদ্ধবাবু-সম্পর্কিত কোনও নথি, ছবি বা অন্যান্য উপাদান কারও কাছে থাকলে তা পার্টির কাছে দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন মহম্মদ সেলিম।
{{/usCountry}}স্মরণ সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, পদলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক ও মন্ত্রী সূর্যকান্ত মিশ্র, শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সৃজন ভট্টাচার্য প্রমুখ। সেখানে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, 'পার্টি ও সরকারের কাজে বহুবার বুদ্ধবাবুর সঙ্গে যাত্রা করার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখনই উপলব্ধি করেছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর জ্ঞান। এমনকী, তিনি যে গানও গাইতে পারেন, একবার তা শোনার অভিজ্ঞতাও হয়েছিল।' তিনি জানিয়েছেন, বুদ্ধবাবুকে স্মরণ করতে গেলে বহুবিধ বিষয়ে আলোচনা করতে হয়। তারই রেশ ধরে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি সতর্কবার্তা দিতেন। এখন সেই সতর্কবার্তাই মিলে যাচ্ছে। তাই বুদ্ধবাবুর কাজকর্ম, সাংস্কৃতিক চর্চা-সহ তাঁর জীবনের বহুবিধ দিক তুলে ধরতে ওয়েবসাইটে একটি পেজ তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্যোতি বসু গবেষণা কেন্দ্রের মতো বুদ্ধবাবুর নামেও একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। তবে নামকরণের জন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হবে। এ ছাড়াও বুদ্ধবাবু-সম্পর্কিত কোনও নথি, ছবি বা অন্যান্য উপাদান কারও কাছে থাকলে তা পার্টির কাছে দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন মহম্মদ সেলিম।
{{/usCountry}}