...
...
Next Story

Dacres lane Food Inspection: এবার ডেকার্স লেনে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের হানা, গামলা ভর্তি মিষ্টিতে মিলল ছত্রাক!

কলকাতার অফিসপাড়ার কর্মীদের কাছে ডেকার্স লেন কার্যত ‘খাবারের রাজধানী’। প্রতিদিন দুপুর গড়াতেই এই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মীদের পাশাপাশি বহু সাধারণ মানুষও সস্তায় পেট ভরাতে ছুটে আসেন ডেকার্স লেনে।

Published on: Sep 5, 2026, 20:22:37 IST
Advertisement

কলকাতা-সহ গোটা বাংলার খাবারের দোকানগুলিতে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান। উদ্দেশ্য একটাই—সাধারণ মানুষের পাতে যে খাবার পৌঁছচ্ছে, তার গুণমান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেই অভিযানেই শনিবার অফিসপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় খাবারের ঠিকানা ডেকার্স লেনে হানা দিল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। একের পর এক দোকান ও গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু ক্ষেত্রে উঠে এল চাঞ্চল্যকর ছবি। কোথাও খাবারে মিলল ছত্রাক, কোথাও আবার সন্দেহজনক উপকরণ। এমনকী একটি দোকান থেকে গামলা ভর্তি মিষ্টিও ফেলে দিতে হল।

কলকাতার অফিসপাড়ার কর্মীদের কাছে ডেকার্স লেন কার্যত ‘খাবারের রাজধানী’।
কলকাতার অফিসপাড়ার কর্মীদের কাছে ডেকার্স লেন কার্যত ‘খাবারের রাজধানী’।

কলকাতার অফিসপাড়ার কর্মীদের কাছে ডেকার্স লেন কার্যত ‘খাবারের রাজধানী’। প্রতিদিন দুপুর গড়াতেই এই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মীদের পাশাপাশি বহু সাধারণ মানুষও সস্তায় পেট ভরাতে ছুটে আসেন ডেকার্স লেনে। চপ, কাটলেট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ও রান্না করা খাবারের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয় এই এলাকা। ফলে খাবারের মান নিয়ে প্রশাসনের নজরদারিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার দুপুরে আচমকাই একাধিক দোকানে পৌঁছে যান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। দোকানে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেন তাঁরা। বিশেষ করে রান্নায় ব্যবহৃত মশলা, হলুদ গুঁড়ো, তেল-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর মান এবং মেয়াদ পরীক্ষা করা হয়। চপ, কাটলেট-সহ বেশ কিছু খাবারের নমুনাও সংগ্রহ করেন আধিকারিকেরা। সেগুলি পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

অভিযানের সময় ডেকার্স লেনের একটি দোকানের গুদামে রাখা সন্দেশে ছত্রাকের সন্ধান মেলে। খাবারের মান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় গামলা ভর্তি সেই মিষ্টি আর বিক্রি করা যায়নি। সমস্ত মিষ্টি ফেলে দেওয়া হয় ডাস্টবিনে। ঘটনাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।

তবে শনিবারের অভিযান শুধু ডেকার্স লেনেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কলকাতার জোড়াবাগান এবং লেক মার্কেট এলাকার একাধিক খাবারের দোকানেও হানা দেন পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। পাশাপাশি নাগেরবাজারের আরসালানেও অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন দোকানের রান্নাঘর, গুদাম, খাদ্যসামগ্রী এবং ব্যবহৃত উপকরণের গুণমান খতিয়ে দেখা হয়।

প্রশাসনের এই ধারাবাহিক অভিযানের মূল লক্ষ্য, খাবারের গুণমান নিয়ে কোনওরকম আপস না করা এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা। জনপ্রিয় খাবারের দোকানগুলিতে ভিড় যত বাড়ছে, ততই খাদ্যসামগ্রীর মান নিয়েও নজরদারি বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। ডেকার্স লেনের অভিযানে ছত্রাক ধরা পড়া মিষ্টি এবং সন্দেহজনক খাদ্য উপকরণ সামনে আসার পর সেই প্রয়োজনীয়তাই আরও একবার স্পষ্ট হল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe